বর্তমানে প্রায় প্রত্যেকেই নেপোটিজাম কথাটির সাথে পরিচিত। এই গোটা টলিউডে (Tollywood) এমন অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী রয়েছেন যারা পারিবারিক সূত্রে এই অভিনয় জগতে প্রবেশ করেছে। আবার বেশ কিছু তারকা এমনও রয়েছেন যাদের পরিবার হয়তো অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত নয় কিন্তু নিজেদের ছেলেমেয়েকে এই পেশায় এগিয়ে যেতে পূর্ণ সমর্থন করেছেন।
এদেরকে বাদ দিয়েও এমন একদল তারকা রয়েছেন যারা কোনো রকম সাহায্য বা সহযোগিতা ছাড়াই কেবলমাত্র নিজের দক্ষতার জোরে এই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন এবং বর্তমানে অত্যন্ত সফলতার সাথে নিজেকে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। ঠিক সেই রকমই একজন অভিনেতা হলেন সৈয়দ আরেফিন (Syed Arefin)। এই মুহূর্তে স্টার জলসার যোগমায় ধারাবাহিকে নায়কের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তাকে।

অভিনয় জগতে পা রাখার পর বেশ কিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিক দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। খেলাঘর, ইরাবতীর চুপ কথা, তুঁতে প্রভৃতি ধারাবাহিকে নায়কের চরিত্রে তাকে দেখেছেন দর্শক মহল। তার স্টাইল থেকে শুরু করে অভিনয় সবটাই দর্শকদের ভীষণ প্রিয়। তবে তার যাত্রাপথ এতটাও মসৃণ ছিল না। আর এই অভিনয় জগতে আসার প্রথম পদক্ষেপটা তিনি যেভাবে নিয়েছিলেন সেটা শুনে চোখে জল আসতে বাধ্য ভক্তদের।
দাদাগিরির মঞ্চে এসে অভিনেতা তার জীবন সংগ্রাম দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাবা চেয়েছিল ছেলে উকিল হবে অথবা ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু তিনি অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তাই তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন কলকাতায়। তিনি যখন এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তখন তিনি দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র।
আরও পড়ুন: ধারাবাহিকে নতুন মোড়! চরম অন্ধকার ঘনিয়ে আসতে চলেছে এবার শীর্ষার জীবনে! চার বন্ধুর মধ্যে এবার শীর্ষার পালা!
তিনি বলেন, “১৫০ টাকা দিয়ে স্ট্রাগল শুরু করেছিলাম আর ৭০০ টাকায় শেষ। রিষড়া থেকে এখন টালিগঞ্জ।” সেই সময় কোথায় থাকবেন কিভাবে থাকবেন কি খাবেন কোন কিছুই ঠিক ছিল না তার। মনে ছিল অদম্য জেদ আর চোখে ছিল অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন। আর সেখান থেকেই আজ তিনি সফল ভাবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। সমাজের হাজারো উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রী আছেন যারা তার মতনই সহায় সম্বলহীন। তাদের কাছে একজন রোল মডেল হয়ে উঠেছেন অভিনেতা সৈয়দ আরেফিন।





