একে একে লীনা গাঙ্গুলীর (Leena Ganguly) প্রায় বেশিরভাগ সিরিয়াল (Bengali Mega Serial) টিআরপির অভাবে টেলিভিশনের পর্দা থেকে বিদায় নিচ্ছে। তবে লীনা গাঙ্গুলীর লেখা দুটি সিরিয়াল এখনও চলছে, একাদোক্কা এবং গুড্ডি। যদিও এই দুটি সিরিয়ালের বিরুদ্ধেও দর্শকদের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। লেখিকার বেশিরভাগ সিরিয়ালের বিষয়বস্তু পরকীয়া নির্ভর হয়।
দর্শকদের অভিযোগের তীর এখন ‘গুড্ডি’ (Guddi) সিরিয়ালের দিকে। কিছুদিন আগেই দেখানো হয় ধারাবাহিকের নায়ক অনুজের মৃ’ত্যু হয়েছে। এখন গল্প এগোচ্ছে অনুজ এবং গুড্ডির সন্তানদের নিয়ে। অনুজের মৃ’ত্যুর পর গুড্ডি তার স্বামী যুধাজিতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেছে। এখন সে থাকে তার মেয়ে রেশমিকে নিয়ে। এদিকে আবার পুবলু ও রেশমির মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে।
স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘গুড্ডি’। এই ধারাবাহিকে এতদিন অনুজ আর গুড্ডি’র প’র’কী’য়া দেখানো হয়েছে। শিরিনকে বিয়ে করার পরেও গুড্ডির সাথে অনুজ রাত কাটায় আবার যুধাজিতকে বিয়ে করার পরেও গুড্ডি তার প্রথম স্বামী অনুজকে ভুলতে পারে না, দুজনের এই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে শিরিন আর যুধাজিৎ যথেষ্ট জটিলতার মধ্যে পরে যায় ।
এখানে গুড্ডির পালিতা মেয়ে রেশমি আর অণুজের ছেলে পুবলু একই স্কুলে পড়ে, পুবলু তার মায়ের দেওয়া টিফিন খায় না সে রেশমির আনা টিফিন খায়। এতদূর অবধি তাও ঠিক ছিল কিন্তু এই ছোট বয়স থেকে যেভাবে পুবলু আর রেশমির মধ্যে একটা অন্যরকম সম্পর্ক দেখানো হয়েছে তা নিয়ে দর্শক রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন।
এখানেই শেষ নয়, সব কিছুর সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছে লীনা গাঙ্গুলীর লেখনি। এবার আর ত্রিকোণ সম্পর্কে আটকে থাকবে না তার গল্প সোজা চতুষ্কোণ সম্পর্ক নিয়ে ফিরে এসছে গুড্ডির মেয়ে আর অনুজের ছেলের বড় বেলা। পুবলু আর রেশমির জীবনে রয়েছে আরও একটি করে মানুষ অর্থাৎ পুবলুকে ভালোবাসে অয়ন্তিকা কিন্তু বর্তমানে এখনো তাকে এই ধারাবাহিকে দেখা যায়নি, অন্যদিকে রেশমির জীবনে রয়েছে আরো একজন যে তাকে ভালোবাসে।
এখন পুবলু রেশমি দুজনেই বড় হয়ে গেছে তারা একই কলেজে পড়ে কিন্তু একে অপরের আসল পরিচয় জানে না। তারা একে অপরের প্রতি টান অনুভব করে কিন্তু একে ওপরের সাথে কথা বলে না।আর পুবলু রেশমির সম্পর্কটা যে ঠিক কী হয়ে দাঁড়াবে সেই নিয়ে এখন থেকেই চিন্তিত দর্শকরা। দুটো জেনারেশনে শেষ করে দিচ্ছে লীনা গাঙ্গুলী। না সুখী হতে পেরেছে গুড্ডি, আর এখন যা আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাতে রেশমি ও যে খুব একটা সুখি হতে পারবে না তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখেনা।





