অবশেষে এতদিনের লড়াইয়ের ফল পেলো জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথার (Kar kache koi moner kotha) অন্যতম চরিত্র পুতুল। এতদিন ধরে সত্যিই নিজের স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে অনেক লড়াই করেছে সে। অবশেষে তাকে ফিরে পেলো পুতুল। তবে তার এই সুখ সহ্য করতে পারছে না তারই ছোট ভাইয়ের বউ প্রতীক্ষা।
দর্শকরা ইতিমধ্যেই দেখেছেন, তীর্থঙ্কর অর্থাৎ পুতুলের স্বামী এতদিন গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছিল। তার চিকিৎসার জন্য যে টাকার প্রয়োজন সেই টাকা কিভাবে জোগাড় করা যায় সেই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল শিমুল সহ গোটা পরিবারের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হয় শিমুল।
এমন একটা সময় তাদের জীবনে কখনো উপস্থিত হবে সেটা হয়তো তারা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। পুতুল টাকা জোগাড় করার জন্য রাস্তায় নেমে গান গেয়ে আঁচল পেতে ভিক্ষা অব্দি করেছে। শেষ পর্যন্ত মধুবালা নিজের বাড়িটা বন্ধক দিতে রাজি হওয়ায় শিমুল একটু মনে জোর পায়। কিন্তু প্রতীক্ষা সেটাও করতে দেয়নি। সে মিথ্যে অভিযোগ এনে এই বাড়ি বন্ধক বাতিল করে দেয়। যার জন্য মধুবালা বুঝে যায় সে সত্যিই এতদিন ফিরে পেলে কাঁচের তোয়াজ করছিল।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শিমুল মধুবালা প্রত্যেকে নিজেদের সমস্ত গয়নাগাটি বন্ধক দিয়ে বেশ কিছু টাকা জোগাড় করে। পাশাপাশি শিমুলের লোন এবং সঞ্জয়দার দেওয়া সাহায্যের অর্থ সব মিলিয়ে যতটুকু টাকা হয় সেটুকু নিয়ে হাসপাতালে চলে যায় তারা। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ শিমুলকে জানায় ধার বাকি রেখে এখান থেকে রোগী নিয়ে যাওয়া যাবে না। কিন্তু তারপরেও একটা ব্যবস্থা করে তীর্থঙ্করকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে শিমুল।
আরও পড়ুন: গীতার অন্তিম সংস্কারের ব্যবস্থা করে ফেললো ভজন! গিনির সামনেই গীতাকে ভালোবাসার কথা বলল সাত্ত্বিক!
তীর্থঙ্করকে অপমান করলো প্রতীক্ষা
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অনেক কষ্ট করে তীর্থঙ্করকে বাড়ি ফিরিয়ে এনেছে শিমুল। আগের থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে সে। কিন্তু এত সব কিছুতেই সহ্য করতে পারছে না প্রতীক্ষা। তীর্থঙ্করকে বলে, তার এতটাই খারাপ অবস্থা হয়েছে যে নিজের শ্বশুর বাড়িতে এসে উঠতে হয়েছে। এর থেকে খারাপ আর কি হতে পারে। প্রতীক্ষা আরো বলে, তীর্থঙ্করের কোন ক্ষমতা নেই। কথাগুলো শুনে প্রচন্ড রেগে যায় শিমুল।





