‘শেষ করাটা খুব প্রয়োজন ছিল’, শ্রীতমার সঙ্গে ব্রেকআপ করার কারণ প্রকাশ্যে আনলেন ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়!

শ্রীতমা মিত্র (Shritama Mitra) এবং ঋত্বিক মুখোপাধ্যায় (Writwik Mukherjee)-তাঁদের প্রেমের কথা টলিউডে বেশ চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে কোনোদিনও মুখ খোলেননি তাঁদের কেউই। তারা বারংবার এটাই বলে এসেছেন, দুজনেই খুব ভালো বন্ধু। কিন্তু নেটিজেনরা কি আর সেটা বিশ্বাস করতে চান। সকলেরই মনে হয় তাঁরা লুকিয়ে যাচ্ছেন।

কাজের পাশাপাশি বেশ চুটিয়ে সময় কাটানোর বিষয়টিও কানে আসে অনেকের। ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ (Ei Poth Jodi Na Sesh Hoy) থেকে অভিনেতা ঋত্বিক খুব জনপ্রিয় হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর আগুনতিক ভক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ‘মন দিতে চাই’ (Mon Dite Chai) ধারাবাহিকের সোমরাজ’ (Somraj) এর চরিত্রে অভিনয় করছেন। আর সেই ধারাবাহিকের শালীর সঙ্গে তিনি প্রেম করছেন, এমনটা মনে করেন অনেকেই।

Bengali serial, mon dite chai, Shritama Mitra, Writwik Mukherjee, Zee Bangla, ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, মন দিতে চাই, শ্রীতমা মিত্র

কিছুদিন আগেই শ্রীতমার জন্মদিনে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন ঋত্বিক। ছবিতে ঋত্বিক ও শ্রীতমা পাশাপাশি দুজনে বেশ হাসিমুখে দাঁড়িয়ে পোজ দিয়েছেন। শ্রীতমার পরনে ছিল চেক টপ এবং কালো শর্ট স্কার্ট এবং ঋত্বিকের পরনে ছিল প্রিন্টেড শার্ট এবং প্যান্ট। উক্ত ছবিটি পোস্ট করে ঋত্বিক লিখেছিলেন, ‘আজীবন এভাবেই হাসতে থেকো। দেখবে শেষটা ভালো হবে। তোমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা জানাই।’

অনেকেই মনে করেন, ‘মন দিতে চাই’ ধারাবাহিকে কাজ করতে গিয়েই তাঁরা একে অপরকে মন দিয়েছেন। তারমাঝেই এসেছে আরও এক খবর। শোনা যাচ্ছে, ঋত্বিক ও শ্রীতমার ব্রেকআপ হয়ে গিয়েছে। সম্পর্কে কোনও সমস্যা হলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার আভাস পাওয়া যায়। আর তার উপর নির্ভর করেই জল্পনার সূত্রপাত হয়। ইনস্টাগ্রামে ঋত্বিক ও শ্রীতমা একে অপরকে আনফলো করেছেন। পাশাপাশি কিছুদিন আগে দেওয়া জন্মদিনের ছবিও ডিলিট করেছেন অভিনেতা।

আরও পড়ুনঃ স্যারের সামনে দীপা আনলো মিশকার আসল রূপ! স্যারের হাতে ঠাটিয়ে চড় খেল মিশকা! আসছে ধামাকাদার পর্ব

তারপর থেকেই তাঁদের ব্রেকআপের কথা উঠে আসছে। এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন ঋত্বিক নিজেই। তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে শুধুই বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু কিছু নেটিজেনদের জন্য তাঁদের এই সমম্পর্কে সমস্যা তৈরী হয়। কিছু ছবি ঘিরে ভুলভাল সন্দেহ তৈরী হচ্ছে। এতে দুজনের পরিবারের উপরি প্রভাব পড়ছে। তাই ছবিগুলি ডিলিট করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। এর পেছনে কোনও ব্রেকআপের গল্প নেই।