স্টার জলসার (Star Jalsha) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘কথা’ (Kothha)। দীর্ঘদিন ধরেই এই ধারাবাহিক রমরমিয়ে চলছে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা দখল করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক এবং ধারাবাহিকের চরিত্রগুলি। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী সুস্মিতা দে এবং অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য এই ধারাবাহিকের হাত ধরেই দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পর টেলিভিশনের ছোটপর্দায় ফিরেছেন অভিনেতা সাহেব। TRP তালিকাতেও ভালো জায়গা দখল করে রেখেছে কথা ধারাবাহিক।
প্রতিদিনই ধারাবাহিতে থাকে নিত্য নতুন ধামাকাদার এপিসোড। প্রতিদিনই নতুন নতুন চমক দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখে কথা ধারাবাহিক। কিছুদিন আগেই ধারাবাহিকে স্পেশাল এপিসোড দেখানো হয়েছে। আর ধারাবাহিককে কথা অগ্নি একে অপরকে এখন চোখে হারাচ্ছে। অগ্নি ইতিমধ্যেই নিজের মনের কথা জানিয়েছে কথাকে। তারা ধীরে ধীরে আরো কাছাকাছি আসছে।

এমনিতেই ধারাবাহিকে তাদের জুটি এতটাই জনপ্রিয় তাদেরকে কেমিস্ট্রি এতটাই অসাধারণ যে বাস্তবে অনেকে ভেবে নেন তারা প্রেম করছেন। এমনকি সাক্ষাৎকারেও তাদের বিভিন্ন কথাবার্তার মাধ্যমে দর্শকের ধারণা তৈরি হয়েছিল তারা বাস্তবে প্রেম করছেন। কিন্তু সাহেবের জন্মদিনেই স্বাগতার সঙ্গে সাহেবের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে দর্শকদের সেই ভুল ধারণা ভেঙেছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ধরা দিয়েছিল সাহেব সুস্মিতা। আমরা তো ধারাবাহিককে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন অদ্ভুত এবং অন্যরকম পদ রান্না করতে দেখতে পাই কথাকে কথা নিজের বুদ্ধিতে সকলের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নানান রকম উপকরণ রান্না করে খাওয়ায় সবাইকে। তবে বাস্তবেও কি সুস্মিতা কখনো সেটে কারো জন্য খাবার তৈরি করে এনেছে? এই প্রশ্নই করা হয় অভিনেত্রীকে।
তখনই অভিনেত্রী মুচকি হেসে সহ অভিনেতা সাহেবের দিকে তাকান। তার সুস্মিতা বলেন তিনি একবার সেটে সকলের জন্য নিজের হাতে পায়েস রান্না করে এনেছিল। আর সেদিন ছিল সাহেবের শুভ জন্মদিন। সাহেবের জন্মদিন উপলক্ষে সুস্মিতা নিজের হাতে পায়েস রান্না করে এনেছিলেন অভিনেতার জন্য।
আরও পড়ুনঃ অনুরাগের ছোঁয়ার পর ফের ছোট পর্দায় রূপাঞ্জনা! প্রধান চ্যানেলের কোন মেগায় ফিরছেন তিনি?
এরপরে সাহেব কি জিজ্ঞাসা করা হয় সুস্মিতার হাতের রান্না করা পায়েস তার কেমন লেগেছিল। উত্তরে অভিনেতা বলেন “আর একটু ভালো হতে পারত। প্রথমবার যেহেতু বানিয়েছে ভালোই বানিয়েছে, ভালো লেগেছে। তবে আস্তে আস্তে শিখে যাবে। পরে আরো ভালো বানাবে।” সাহেবের মুখে প্রশংসা শুনে সুস্মিতা তো ভীষণই খুশি। মুখের মিষ্টি হাসি দিয়ে সাহেবকে ধন্যবাদ জানায়।





