পর্দায় তিনি রানি রাসমণি, আর বাস্তবে একেবারে পরিবারের মেয়ে। অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায় বরাবরই জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর পরিবার। সেই পরিবারের দুই স্তম্ভ অর্থাৎ বাবা ও মায়ের দাম্পত্য জীবনের ২৭ বছর পূর্ণ হলো সম্প্রতি। বিশেষ দিনে তাঁদের সঙ্গে একটি উষ্ণ মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিলেন দিতিপ্রিয়া। ক্যাপশনে লিখলেন, মা ও বাবার ২৭ বছরের ভালোবাসা, শক্তি এবং অটল বন্ধুত্বের উদযাপন। ছোট্ট এই বার্তাতেই স্পষ্ট, বাবা মায়ের সম্পর্কই তাঁর অনুপ্রেরণার জায়গা।
গত কয়েক মাসে নানা বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর। সহ অভিনেতা জীতু কমল এর সঙ্গে মতবিরোধ থেকে ধারাবাহিক ছাড়া, একাধিক কারণে আলোচনায় ছিলেন তিনি। নেতিবাচক মন্তব্যের ঝড়ও সামলাতে হয়েছে। সেই সময় কিছুটা আড়ালেই ছিলেন দিতিপ্রিয়া, সমাজমাধ্যমেও কম দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই আবার চেনা হাসিতে ধরা দিলেন তিনি। পরিবারের এই আনন্দঘন মুহূর্ত যেন তাঁর জীবনে নতুন ইতিবাচকতার ইঙ্গিত।
বিবাহবার্ষিকীর সন্ধ্যায় বাবা মায়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে এক নিখাদ পারিবারিক আবেগ। মায়ের পরনে মেরুন শাড়ি, বাবার গায়ে লালচে খয়েরি পাঞ্জাবি, আর তাঁদের দিকে হাসিমুখে তাকিয়ে দিতিপ্রিয়া। এদিন তিনি বেছে নিয়েছিলেন বোর্দো রেড রঙের ফর্মাল অথচ স্টাইলিশ জাম্পস্যুট ধাঁচের পোশাক। কলার ও কোমরে রূপালি সুতোর লতা পাতার কাজ পোশাকে এনেছিল রাজকীয় ছোঁয়া। আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে নজর কাড়েন অভিনেত্রী।
হেয়ারস্টাইলে ছিল সরলতা। পরিপাটি লো বান, সামনে হালকা আলগা চুল তাঁর লুকে এনে দিয়েছিল কোমলতা। মেকআপেও ছিল ন্যাচারাল টোন। ডিউই ফিনিশের বেস, চোখে হালকা কাজ আর ঠোঁটে মানানসই ম্যাট লিপস্টিক তাঁকে করে তুলেছিল আরও উজ্জ্বল। ভারী গয়না এড়িয়ে ছোট ডায়মন্ড ড্রপ দুলেই সম্পূর্ণ হয়েছে সাজ। পরিমিত আভিজাত্যেই যেন ফুটে উঠেছে তাঁর ব্যক্তিত্ব।
আরও পড়ুনঃ সমালোচনার মাঝেই চমক! এক বছর আগেই নাকি আইনি বিয়ে সেরে ফেলেছেন অনন্যা-সুকান্ত?
ছবি প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের শুভেচ্ছায় ভেসেছেন দিতিপ্রিয়া। সহকর্মীরাও জানিয়েছেন অভিনন্দন। ছোটবেলা থেকে তাঁর কেরিয়ারে বাবা মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি বরাবরই সংযত, যদিও শোনা যায় ফুটবলার শমীক মিত্র এর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। তবু এই বিশেষ দিনে স্পষ্ট, ২৭ বছরের দাম্পত্যই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।





