কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের খুদে রাজকন্যা কৃষভি পা দিল জীবনের প্রথম জন্মদিনে। ২ নভেম্বর ইসকন এবং কালীঘাটে মায়ের কাছে পুজো দিয়ে শুভ সূচনা হলেও, বাড়ির বড়সড় উৎসব ছিল ৫ নভেম্বর। এই দিনটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন তারকা দম্পতি, কারণ এদিনই তাঁদের বাড়িতে রাধা-মাধব এবং প্রভু জগন্নাথের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। সেই শুভক্ষণেই মেয়ের জন্মদিন পালন তাদের কাছে সবচেয়ে আনন্দের।
এই বিশেষ দিনে আত্মীয়-স্বজন, ঘনিষ্ঠজনদের ভিড়ে সরগরম হয়ে উঠেছিল কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বাড়ি। ডিজাইনার সাজে নজর কেড়ে কেক কাটলো কৃষভি। মেয়েকে কোলে নিয়ে সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী হাসিমুখে জানালেন, কৃষভিকে দেখলেই মনে পড়ে যায় ছোটবেলার কাঞ্চনকে— একেবারে ছটফটে আর দুষ্টুমিষ্টি! ‘লেডি গুন্ডা’ নামটাও দিয়েছেন মা, কারণ সাজতে-গুজতে যেমন ভালবাসে, তেমনি খুনসুটিতেও সে বেজায় নম্বর কুড়োয়।
সন্তানকে নিয়ে আবেগ লুকোলেন না কাঞ্চনও। তাঁর কথায়— “এখনও বিশ্বাস করতে পারি না আমাদের মেয়ে এক বছর হয়ে গেল! চোখের সামনে কী দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে। ঈশ্বরের দান এই সন্তান।” বাবা-মায়ের ভালোবাসার ছত্রছায়ায় কৃষভি বড় হচ্ছে যেন খুশির বাগানে।
মেয়ের বড় হওয়ার নিয়ম-কানুন নিয়ে আজকের প্রজন্ম সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন শ্রীময়ী। তিনি স্পষ্ট বলেন— আগের দিনের কঠোর শাসনের সময় আর নেই। তাঁরা চান কৃষভি নিজস্ব মত নিয়ে নিজের মতো করেই বড় হয়ে উঠুক। মেয়ের স্বাধীনতা আর হাসিখুশি মনটাই সবচেয়ে জরুরি তাঁদের কাছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আমি জানি ওর হাঁপানির সমস্যা ছিল…’- প্রাক্তন স্বামী জিতু কামালের অসুস্থতার খবরে চিন্তিত অভিনেত্রী নবনীতা?
সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু সময় কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় এই তারকা পরিবারকে। এমনকি ছোট্ট কৃষভিকেও ছাড়ে না নিন্দুকেরা। কিন্তু শ্রীময়ী দমে যাওয়ার পাত্রী নন। দৃঢ়তার সঙ্গে তাঁর ঘোষণা— “ওর গায়ে আমাদের রক্ত আছে। আমরা যেমন কাউকে পাত্তা দিই না, ও-ও তেমনই নিজের লড়াই নিজে করে নেবে। মানুষ কথা বলবেই, আর সেই কথাই আমাদের আরও এগোতে সাহায্য করবে।”





