টেলিভিশনের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্য (Sritama Bhattacharjee)। বর্তমানে তিনি জি বাংলার (Zee Bangla) ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner kotha) ধারাবাহিকের ‘পুতুল’। ধারাবাহিকের গল্প অনুসারে পর্দায় লড়তে হচ্ছে পুতুলকে। তাঁর স্বামী অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। ধারাবাহিকের সঙ্গে কোথাও গিয়ে মিলে যাচ্ছে শ্রীতমার বাস্তব জীবন। বাবার কথা মনে করে আবেগে ভাসছেন শ্রীতমা।
‘মনের কথা’ ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে পুতুলের বর গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে শায়িত মানুষটার সারা গায়ে নল লাগানো। চেতনা শক্তি দুর্বল, তিনি চিনতে পারছেন না পুতুলকে। হাসপাতালের সিনে অভিনয় করার মাধ্যমে বাবার কথা মনে পড়ছে অভিনেত্রী শ্রীতমার। অভিনেত্রী বলেন, তাঁর বাবার যখন সার্জারি হয়েছিল তখন তাঁর আড়াই বছর বয়স। ছোট পর্দার পুতুল বলেন, তিনি প্রতিদিন চান বাবার মতো একজন মানুষ হয়ে উঠবেন।
অভিনেত্রী শ্রীতমা বলেন, হাসপাতাল থেকে ফোন আসার পর তাঁর জীবনটা পুরো বদলে গিয়েছিল। কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে ধৈর্য, ক্ষমা করার প্রবণতা কে আত্মস্থ করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, তাঁর বাবা এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি সবাইকে নিয়ে থাকতে ভালোবাসতেন। তিনি মনে করতেন সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। শ্রীতমার কথায়, তিনি বাবার মত এতটা উদার নন। তবে তিনিও চেষ্টা করেন মানুষকে ক্ষমা করে দিতে।
সম্পর্ক বিষয়ে অত্যন্ত যত্নবান অভিনেত্রী শ্রীতমা। তাই তিনি কোন সম্পর্কে জড়ানোর আগে বহুবার ভাবেন। এমনকি যে মানুষরা তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে, তিনি তাঁদের সাথেও কতটা গাঢ় সম্পর্কে জড়াবেন, তা নিয়েও অনেক ভাবনাচিন্তা করেন তিনি। জীবনে চলার পথে আজ পর্যন্ত অনেক কিছু শিখেছেন শ্রীতমা। কমেছে রাগ বেড়েছে ধৈর্য। অভিনেত্রী মনে করেন, বাবা আজ হয়ত তাঁর সঙ্গে শারীরিকভাবে নেই। কিন্তু একদিন তিনি ঠিক ফিরে আসবেন মেয়ের কাছে। সব সময়ই তিনি সঙ্গে রয়েছেন শ্রীতমার।
আরও পড়ুন: ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফের কাছাকাছি এলো শিমুল পরাগ! আরো বেশি খারাপ হলো তীর্থর অবস্থা!
জীবনে দায়িত্ব নিতে, পরিশ্রম করতে হাঁপিয়ে ওঠেন না অভিনেত্রী। তিনি বলেন, তাঁর আশেপাশে থাকা লোকজনেরা যদি হেসে কথা বলেন, তাহলে কোন যন্ত্রনাই আর গায়ে লাগে না। বাবার অবর্তমানে মাকে আলাদা করে সামলাতে হয় না অভিনেত্রীকে। শ্রীতমা বলেন, মা অনেক বেশি গোছানো। আমার সবটাই মা সামলান। তবে মায়ের পাশে অবলম্বন হয়ে ভালোবাসা হয়ে থাকবেন শ্রীতমা। বাবার থেকে শেখা গুণ গুলি আত্মস্থ করে মানুষের মতো মানুষ হতে চান তিনি।





