মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে তিন মাসের মাথাতেই কাজে ফিরছেন অভিনেত্রী মানসী! ফিরছেন রানী ভবানী ধারাবাহিকে নতুন চরিত্রে!

টেলিভিশনের পর্দার (Television Serial) জনপ্রিয় খলনায়িকাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন মানসী সেনগুপ্ত (Manashi Sengupta)। একাধিক ধারাবাহিকে খলনায়িকা চরিত্রে অভিনয়কে দেখে এসেছে দর্শক। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি। শেষবার অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu), কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) এর মত জি বাংলার (Zee Bangla) একাধিক ধারাবাহিকে।

কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী দ্বিতীয় বার মা হয়েছেন। সেই খবর জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। কয়েকদিন আগে পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী গর্ভবতী থাকা অবস্থায় নয় মাস পর্যন্ত নিম ফুলের মধ্যে ধারাবাহিকে কাজ করেছেন, তারপরেও গর্ভবতী অবস্থায় উপস্থিত ছিলেন জি বাংলার সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড শোতেও।

এবারে সন্তান জন্ম দেওয়ার তিন মাসের মাথাতেই কাজে ফিরছেন মানসী। ১৯ মার্চ দ্বিতীয় বার মা হয়েছেন অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত। পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। গত তিন মাস মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন। নিয়মিত শুটিংয়ে না ফিরলেও ছেলে হওয়ার পর পরই অনেকগুলো ফোটোশুট করেছেন।

ছেলে হওয়ার পর আবার নতুন ধারাবাহিকে ফিরছেন মানসী। তাঁকে শেষ বার দর্শক দেখেছিলেন ‘নিমফুলের মধু’ ধারাবাহিকে মৌমিতার চরিত্রে। সেখানে নেতিবাচক চরিত্রে দেখা গিয়েছিল মানসীকে। এবারে নতুন ধারাবাহিকে নতুন চরিত্রে ফিরছেন তিনি। স্টার জলসার ‘রাণী ভবানী’ ধারাবাহিকে নাকি তাঁকে দেখা যাবে। ইতিমধ্যে নাকি তাঁর প্রোমোর শুটিংও হয়ে গিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে, চ্যানেল বা অভিনেত্রীর তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। সাধারণত বলা হয়ে থাকে, মা হওয়ার পর নাকি অভিনেত্রীদের কেরিয়ারে পতন ঘটে। মানসী সেই ধারণাকে একেবারে ভুল প্রমাণিত করেছেন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ন’মাস পর্যন্ত কাজ করেছেন। ছেলের জন্মের পর ২২ দিন কাটতে না কাটতে একরত্তিকে সঙ্গে নিয়েই কাজে বেরিয়ে পড়েন অভিনেত্রী। ধারাবাহিকের কাজ শুরু হওয়ার মাঝের সময়টাও নষ্ট করতে চাননি তিনি। এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “আমার সি সেকশন হওয়ার চার দিন পর কিন্তু ছেলেকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরি। কারণ গাড়ি চালানোটা আমার কাছে চাপমুক্তির মতো। আর এই যে এত তাড়াতাড়ি কাজে ফিরেছি কারণ কাজের মধ্যে শান্তি খুঁজে পাই। এটা কারও সঙ্গে কোনও পাল্লা বা প্রতিযোগিতা নয় আমার তো কোনও শারীরিক অসুবিধা হচ্ছে না। বরং ১৫ কেজি ওজন কমেছে। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করছি। সবই করছি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে।”