ছবির নায়িকা নাকি হট লুকে হাজির, কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আসলে এক মন্তব্য! মিমি চক্রবর্তী নিজের কষ্টের কথা আগেই জানিয়েছিলেন—ওজন ঝরাতে দিন-রাত এক করেছিলেন। এখন তিনি ভাবলেই চোখ ভিজে আসে। অথচ এত কষ্ট করে ঝরঝরে শরীর গড়ার পর সহ-অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায়ের খোঁচা শুনতে হল তাঁকে। নায়কের সোজা কথা, “ছিঃ ছিঃ, এত পরিশ্রম করলে শেষে কিনা আমার সঙ্গে প্রেম করতে হবে!”
‘রক্তবীজ ২’-এর নেপথ্যে জমে উঠছে নানা গল্প। প্রথম ভাগে এসপি সংযুক্তা মিত্র আর আইজি পঙ্কজ সিংহের রোম্যান্স দেখা যায়নি। দর্শকরা বঞ্চিতই থেকেছিলেন। কিন্তু এবার দ্বিতীয় ভাগে আবীর–মিমির প্রেম জমে উঠবে, সেই ইঙ্গিত মিলেছে ঝলকেই। তার থেকেও বড় খবর, এই প্রেমের দৃশ্য নিয়ে ইতিমধ্যেই নায়কের খুনসুটি ছড়িয়ে পড়েছে বিতর্কের মতো।
আবীর অবশ্য কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি পরিচালক-প্রযোজক জুটি জ়িনিয়া সেন আর শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর দাবি, সবটা তাঁদের পরিকল্পনা। তবে এরই মধ্যে পরিচালক নন্দিতা রায়ের প্রসঙ্গ তুলে খানিকটা নস্টালজিয়ায় ভেসেছেন অভিনেতা। স্কুলের দিদিমণির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেছেন, নন্দিতা কঠোর হলেও তাঁর স্নেহের হাত সবাইকে ছুঁয়ে যায়। এমন মন্তব্যে দর্শক মজে গেলেও আসল রসদ ছিল মিমিকে ঘিরেই।
প্রথম ছবি ‘বাপি বাড়ি যা’-এর সময় থেকেই আবীর আর মিমির পরিচয়। তাই ক্যামেরার সামনে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতে তেমন সমস্যা হয়নি। কিন্তু আবীরের কথাতেই বিতর্ক—“এত কষ্ট করে শরীর তৈরি করে শেষমেশ আমার মতো লোকের সঙ্গেই রোম্যান্স করতে হবে, এটা ওর কপাল!” প্রকাশ্যে এ রকম ঠাট্টা শুনে অনেকেই বলছেন, মিমির কষ্টকে হালকা করে দেখালেন না তো অভিনেতা?
আরও পড়ুনঃ ‘তুমি কখনো সুখী হবে না…’- মহানায়ককে অভিশাপ? কেন এমন বলেছিলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়?
সব মিলিয়ে দর্শকের কৌতূহল তুঙ্গে। নীল বিকিনিতে মিমির লুক, আবীরের মাখোমাখো রোম্যান্স আর নেপথ্যের মজার খুনসুটি—সব মিলে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা। তবে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, সহকর্মীর পরিশ্রম নিয়ে ঠাট্টা করা কতটা গ্রহণযোগ্য? বিতর্ক যত বাড়ছে, ‘রক্তবীজ ২’ নিয়ে আগ্রহ ততই বাড়ছে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে।





