ওয়েব সিরিজ নিকষছায়া ২ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। প্রথম সিজনের সাফল্যের পর দ্বিতীয় পর্বে একাধিক নতুন চমক অপেক্ষা করছে বলেই জানালেন গৌরব চক্রবর্তী। এবার গল্প এগোবে ভূতচতুর্দশীর আবহ নয়, বরং সরস্বতীপুজোর আবেশে। এই পরিবর্তনেই রহস্যের রং আরও গভীর হবে বলে মনে করছেন নির্মাতারা। নতুন সিজনে পরিচালকের দায়িত্বে এসেছেন সায়ন্তন ঘোষাল। তবে গৌরবের কথায়, গল্পের মূল কাঠামো বদলায়নি। আগের পর্ব যেখানে শেষ হয়েছিল, ঠিক সেখান থেকেই শুরু হবে নতুন অধ্যায়।
পরিচালক বদল হলেও শুটিং ফ্লোরে কোনও অস্বস্তি তৈরি হয়নি বলেই দাবি অভিনেতার। সায়ন্তন ঘোষাল যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নেমেছেন, ফলে কাজের পরিবেশ ছিল সাবলীল। আগেও তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় বোঝাপড়ায় কোনও সমস্যা হয়নি। নিকষছায়া ২ তে ভাদুড়িমশাই চরিত্র যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই অমিয় চরিত্রের গুরুত্বও অনেকটা বেড়েছে। এবার স্ত্রীর অপহরণের ঘটনার পর অমিয় আরও রাগী ও অস্থির হয়ে উঠবে, যা গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এই সিরিজে ভূত আর পুলিশের সহাবস্থান দর্শকদের কৌতূহল বাড়াবে বলেই মনে করছেন গৌরব। রাত জেগে শুটিং করার ফলে তাঁর দৈনন্দিন রুটিনেও পরিবর্তন এসেছে। বাস্তব জীবনে ভূতের অস্তিত্বে তিনি বিশ্বাসী না হলেও পর্দার রহস্য আর ভৌতিক আবহ উপভোগ করেন। চরিত্রের মানসিক টানাপোড়েনকে বাস্তবসম্মত করে তুলতেই অভিনয়ে বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি। আবেগ আর উত্তেজনার মিশেলে গল্প যে আরও জমাট হবে তা বলাই যায়।
এই প্রসঙ্গেই টলিউডের অন্দরের কোন্দল প্রকাশ্যে আনা নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করেছেন গৌরব চক্রবর্তী। তাঁর মতে, যে কোনও পেশাতেই সমস্যা বা ভুল থাকতে পারে। কিন্তু তা প্রকাশ্যে এনে আলোচনা করলে সমাধান হয় না। বরং নিজেদের মধ্যেই কথা বলে বিষয় মিটিয়ে নেওয়াই শ্রেয়। দর্শক এসব দ্বন্দ্বের সমাধান করতে পারবেন না। তাই শিল্পীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যের এক বছর! রাজকীয় ভঙ্গিতে শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন! জানেন কি কি পদ ছিল মেনুতে?
নায়ক হওয়ার দৌড়ে না নেমে ভালো অভিনেতা হয়ে উঠতেই বেশি আগ্রহী গৌরব। বাবার মতো চরিত্রভিত্তিক অভিনয়েই তিনি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। ধারাবাহিকে ফিরতে হলে শক্তিশালী চরিত্র ছাড়া তিনি রাজি নন। নিকষছায়া ২ দর্শকদের জন্য একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। রহস্য আবেগ আর সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভর করে এই নতুন অধ্যায় যে দর্শকের মনে দাগ কাটবে তা বলাই যায়।





