‘আট মাসে না নয় মাসে, বৈধ না অবৈধ? বিয়ের আগেই কি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গিয়েছিলেন শ্রীময়ী?’ প্রসঙ্গে অবশেষে মুখ খুললেন শ্রীময়ী!

কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আগেও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে তাঁদের কন্যা সন্তান কৃষভির জন্মের সময়। বিয়ের সাড়ে আট মাসের মাথায় সন্তানের জন্ম হওয়ায় অনেকেই আঙুল তুলেছিলেন, কটাক্ষ করেছিলেন বিয়ের আগেই নাকি মা হয়েছিলেন শ্রীময়ী। সে সময় অবশ্য অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, বিয়ের পরই সুখবর পান তিনি। কিন্তু বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। সম্প্রতি ফের এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গ উঠে এলো।

শ্রীময়ী জানালেন, সন্তান হওয়ার খবর তিনি দোল পূর্ণিমার পরের দিন পান। ঈশ্বরের আশীর্বাদেই বিয়ের পরই মাতৃত্বের সুখবর এসেছিল তাঁর জীবনে। তাই বারবার সন্তানকে নিয়ে যে হিসেব-নিকেষ করা হচ্ছে, সেটাকে তিনি অযৌক্তিক বলে মনে করেন। তাঁর কথায়, “আমার মেয়েটা কাঞ্চনের জেরক্স কপি। আট মাসে না নয় মাসে, বৈধ না অবৈধ প্রমাণ করার জন্য আর কিছু বলতে হবে না। আজীবন বলতে হবে যে ও কাঞ্চনেরই একটা অংশ।”

গণেশ চতুর্থীর দিন দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী আরও জানান, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ই তিনি কাঞ্চনকে বলেছিলেন, যদি মেয়ের জন্ম হয় তবে যেন বাবার মতো কোমর থেকে পায়ের গঠন পায়। এতে নাকি মেয়ে একদিন স্টিলেটো পরে হাঁটতে পারবে—এটাই ছিল তাঁর ছোট্ট স্বপ্ন। আজ কৃষভিকে দেখে শ্রীময়ীর মনে হচ্ছে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

অন্যদিকে কাঞ্চন মজার ছলে জানান, তাঁর কাছে ছেলে-মেয়ে দুজনেই সমান। মেয়ে তাঁর কাছে লক্ষ্মীর মতো। তবে তিনি খেয়াল করেছেন, কৃষভির কানের গঠন তাঁর মতো হচ্ছে। কাঞ্চনের কথায়, “মুখটা অনেকে আমার মতো বলে, কিন্তু আসলে ও শ্রীময়ীর মতো গোল মুখ পেয়েছে। চোখ আর হাসি দেখে অনেকেই ভুল করেন।”

কাঞ্চনের এই মন্তব্যের মাঝেই শ্রীময়ী যোগ করেন, “যাক, পার্মানেন্ট স্ট্যাম্প তোমার। এখন শুভাকাঙ্খী-অশুভাকাঙ্খীরা কেউ মাসের হিসেব করতে পারবে না।” উল্লেখ্য, গত বছর কালীপুজোর পর জন্ম নেয় কৃষভি। গর্ভাবস্থায় শারীরিক নানা সমস্যা আর সন্তান জন্মের পর জন্ডিসের কারণে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন শ্রীময়ী। তবে আজ তাঁদের কাছে কৃষভি শুধু আনন্দ নয়, অনেকটা লড়াই জিতে পাওয়া আশীর্বাদও।