কাজ ছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কিছু নিয়ে ভাবতেই নারাজ অভিনেত্রী শ্রীমা ভট্টাচার্য। ছোটপর্দায় পরিচিত মুখ হলেও ধীরে ধীরে বড়পর্দার দিকে মন দিচ্ছেন তিনি। ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিন। বিশেষ দিনটি ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও জাঁকজমকের চেয়ে নিজের উন্নতিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন শ্রীমা। নতুন বছরে নিজেকে কী উপহার দেবেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন, এবার নিজেকেই বদলে ফেলার পরিকল্পনা। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়াই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
শ্রীমা জানান, গত কিছুদিনে তাঁর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছিল। তাই এই বছর শরীরচর্চায় আরও মনোযোগী হতে চান। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাবার এবং মানসিক সুস্থতার দিকেও নজর রাখবেন। পাশাপাশি বড়পর্দায় তাঁর নতুন ছবি মুক্তির অপেক্ষা, সেই উত্তেজনাও কম নয়। নিজের মধ্যে আরও কিছু পরিবর্তন আনতে চান তিনি। বিশেষ করে আবেগ নিয়ন্ত্রণে আনাই তাঁর অন্যতম সংকল্প। কারণ তিনি নিজেকে খুব আবেগপ্রবণ বলেই মনে করেন।
এবারের জন্মদিন কাটবে কাজের মধ্যেই। তাঁর ছবির বিশেষ প্রদর্শনী রয়েছে সেদিন, তাই সেখানেই ব্যস্ত থাকবেন অভিনেত্রী। তবে দিনের শুরুটা হবে পুজো দিয়ে। জন্মদিন মানেই তাঁর কাছে একটি নির্দিষ্ট খাবারের স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। মা আগের দিন পায়েস রান্না করে রাখেন, আর সকালে ঠান্ডা পায়েসের সঙ্গে লুচি খেয়েই পূর্ণতা পায় দিনটি। শৈশবের এই ছোট্ট রীতি আজও অটুট রেখেছেন তিনি।
বিয়ের মরসুম চললেও নিজের জীবনে এখনই সে পথে হাঁটার কোনও পরিকল্পনা নেই শ্রীমার। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, তিনি হ্যাপিলি সিঙ্গল। চারপাশে বিয়ে নিয়ে নানা নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা শুনে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা ভয় কাজ করে তাঁর মধ্যে। তাই আপাতত এই প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চান। নিজের মতো ঘুরতে যাওয়া, গঙ্গার ঘাটে সময় কাটানো, এই স্বাধীন জীবনই তাঁকে আনন্দ দেয়।
আরও পড়ুনঃ ‘খেলা হবে…মানুষের পাশে থাকতে চাই!’ তবে কি এবারে অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানে নামলেন স্বস্তিকা মুখার্জি?
এই মুহূর্তে শ্রীমার হাতে রয়েছে একাধিক ছবির কাজ। ফলে ব্যস্ততা বাড়ছে প্রতিদিন। ছোটপর্দায় তাঁকে আবার দেখা যাবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সবটাই নির্ভর করছে আগামী কাজ ও সময়ের উপর। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, নিজের শর্তে বাঁচা আর নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেওয়াই এখন তাঁর প্রধান অঙ্গীকার।





