আদ্যিকালে যার নাম ছিল উল্কি, হালফিলে নাম বদলে হয়েছে ট্যাটু। তবে বর্তমানে ট্রেন্ডি আর সেক্সি দেখানোর অন্যতম মাপকাঠি এই ট্যাটু। টলি নায়িকারাও আজকাল অনেকেই নিজেদের শরীরের নানান অংশ ট্যাটু করিয়েছেন। পুরুষ হোক বা মহিলা বর্তমানে ট্যাটু অনেকেরই পছন্দ। কেউ কেউ ট্যাটু করান তাঁর ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী আবার কেউ কেউ ট্যাটু করান পুরনো কোনও দাগ বা ক্ষতচিহ্ন ঢাকতে।
টলিউড অভিনেত্রীদের শরীরেও রয়েছে এরকমই কিছু ট্যাটু। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র থেকে নুসরাত জাহান, শ্রাবন্তী থেকে মুমতাজ সরকার, টলিপাড়ার সুন্দরী অভিনেত্রীদের হাত, পা, বুক, পিঠ কোমড় থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ট্যাটু। তবে অনেকেই হয়ত জানেন ট্যাটুর ভক্ত টলিপাড়ার অন্যতম গর্জাস ডিভা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও।

কেন তলপেটে ময়ূরের পালকের ট্যাটু করেছেন মিমি চক্রবর্তী?
অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর ডান হাতে এবং ডান দিকেরই তলপেটে ট্যাটু রয়েছে। অভিনেত্রীর ডান দিকের তলপেটে রয়েছে ময়ূরের পালকের ট্যাটু। কিন্তু কেন এই ট্যাটু করেছিলেন অভিনেত্রী? জানা গেছে একসময় অ্যাপেনডিক্সের অপারেশন হয়েছিল মিমির। সেই কাটা দাগ অভিনেত্রীর তলপেটে রয়ে গিয়েছিল। ফলে ক্রপ টপ বা পেট কাটা পোশাক পরতে গিয়ে মাঝেমধ্যে অসুবিধায় পরতেন মিমি। সেই দাগ লুকানোর জন্যই এই ট্যাটুটি করান অভিনেত্রী।
অন্যদিকে অভিনেত্রীর ডানহাতে রয়েছে একটি নটরাজের ট্যাটু। নটরাজ এই ট্যাটুকে যদিও নিজের লাকি চার্ম মনে করেন মিমি। এটি তাঁর প্রথম ট্যাটু। এই ট্যাটুটি অভিনেত্রী করেছিলেন তার প্রথম ব্যাংকক সফরে গিয়ে। সম্প্রতি নিজের মুখেই এই ট্যাটুর রহস্য উদঘাটন করেছেন মিমি। জানিয়েছেন ২০১২ সালে এই ট্যাটুটি করেছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু কেন? কোন বিশেষ কারণে?
কেন ডান হাতে নটরাজের ট্যাটু করেছেন মিমি চক্রবর্তী?
অভিনেত্রী জানিয়েছেন “আমি বন্ধুদের সঙ্গে প্রথম ব্যাংকক সফরে গিয়েছিলাম। আর আমার মা বাবাও আমায় কখনও কোন কিছুর জন্য না করেননি এই ট্যাটু জন্য তো নয়ই। আমার অনেক আগেই থেকেই ইচ্ছে ছিল। আর আমি খুব শিবের ভক্ত। আমি সেইসময় শিবের জট, নীল বডি সবটা দিয়ে একটা বড় ট্যাটু করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার বন্ধুরা বলল না এটা করিস না তুই তো হিরোইন হতে চাস। এটা লুকাবি কি করে? তখন ভাবলাই কি করা যায় তাহলে নটরাজ করি। তখন এটা করা।”





