বেশিরভাগ সময় বাড়িতে স্নাক্স হিসাবে কি খাবেন তা নিয়ে বেজায় চিন্তিত থাকেন অনেকে। আর সেই সঙ্গে যদি বাড়িতে কোন বাচ্চা থাকে তাহলে সুস্বাদু হওয়ার সাথে সাথে পুষ্টিকর খাবার হওয়া জরুরী। আর আজ এমনই একটি স্নাক্স বানানো আপনাদের জানাবো যদি সুস্বাদু আবার পুষ্টিকর। সেই সঙ্গে বানানো খুব সোজা। আজকের রেসিপি নাম চিরের কাটলেট।
চিরের কাটলেট বানাতে লাগবে – চিরে, আদা, কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ কুচি, কর্নফ্লাওয়ার, নুন, ধনেপাতা কুচি, গরম মসলা গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, চাট মসলা, লাল লঙ্কাগুঁড়ো, গোল মরিচ গুঁড়ো, আলু, চিলিফ্লেক্স, সাদা তেল, ব্রেড ক্রামস
প্রণালী – প্রথমে দু কাপ চিরেকে ভালো করে ৫-৬বার জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর যখন চিরেটা নরম হয়ে যাবে তা থেকে পুরো জলটা চিপে বের করে নিতে হবে। তারপর সেই চিড়ে গুলোর মধ্যে কিছুটা গ্রেট করে রাখা আদা এবং কাঁচা লঙ্কা কুচিয়ে দিয়ে দিতে হবে। সেগুলো ভালো করে মেখে নেওয়ার পর তার মধ্যে কিছুটা পিয়াজ কুচি এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে দিতে হবে। এরপর তার মধ্যে পরিমাণ মতো লবণ লঙ্কার গুঁড়ো গোলমরিচ গুঁড়ো গরম মসলা, জিরেগুঁড়ো এবং চাট মসলা দিয়ে পুরো মিশ্রণ টাকে ভালো করে মেখে ফেলতে হবে। কিছুটা পরিমান কর্নফ্লাওয়ার এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে যাতে কাটলে একটা ক্রিসপি হয়। সেই সঙ্গে দুটো ছোট ছোট আলু সিদ্ধ করে রাখতে হবে এবং সেই চিড়ার মিক্সারটার সঙ্গে ম্যাশ করে দিতে হবে।
ভালো করে মাখা হয়ে গেলে ওই মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প করে লেচি নিয়ে গোল গোল আকারে কেটে নিতে হবে। হাতে কিছুটা তেল লাগিয়ে। তারপর সব কাটলেট গুলি তৈরি হয়ে গেলে। এরপর একটা বাটিতে দু চামচ মত কর্নফ্লাওয়ার নিয়ে তার মধ্যে কিছুটা নুন এবং জল দিয়ে একটি পাতলা কোটিং তৈরি করে নিতে হবে। এবং অন্য একটি পাত্রে কিছুটা ব্রেড ক্রামস নিতে হবে।
এরপর একটি ফ্রাইং প্যান বা কড়াইতে কিছুটা পরিমাণ তেল দিয়ে সেটি গরম করতে দিতে হবে। গরম হয়ে গেলে কাটলেট গুলোকে প্রথমে কর্নফ্লাওয়ারের কোটিং এ ডুবিয়ে ব্রেডক্রামস লাগিয়ে তেলে ছাড়তে হবে। কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে হাত দিয়ে কোটিং টা না করে দুটো চামচের সাহায্যে করলে সুন্দর কাটলেট হবে। তারপর দু দিক দিয়ে লাল লাল ভাজা হয়ে গেলেই তৈরি আপনার চিঁড়ের কাটলেট।
তৈরি হয়ে গেলেই মুচমুচে চিড়ের কাটলেট সস দিয়ে পরিবেশন করে ফেলুন আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে। এই খাবারটি যেমন খেতে সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর তার কারণ এর মধ্যে রয়েছে চিরে। বাড়িতে যদি ছোট বাচ্চা থাকে তাকে সন্ধ্যেবেলায় বা জলখাবারে, এটি তৈরি করে দিলে সে আর কিছুই চাইবে না।





