সন্ধ্যার টিফিনে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন দোকানের মতন মুচমুচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, কীভাবে? এখনই জেনে নিন

সন্ধ্যে হলেই বাচ্চাদের বায়নার শেষ নেই। তখন তাদের মনটা একটু ফাস্টফুডের দিকে ঝুঁকে যায়। এই ফাস্টফুড এর মধ্যে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর ভক্ত। এবার বাড়িতে বসেই আপনিও বানিয়ে ফেলতে পারেন দোকানের মতোই মুচমুচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সহজ বাংলা ভাষায় আলুভাজা। তবে রান্নাটা একটু আলাদা। কিন্তু হামেশাই দোকানের ওই চপচপে তেলেভাজা খেলে শরীরের কী অবস্থা হবে জানেন তো? তাই এবার শুধু দোকান বা শপিং মলের স্টল থেকে না খেয়ে বাড়িতেও তো বানাতে পারেন। চিন্তা করছেন অমন স্বাদ আসবে কিনা? চিন্তা কিসের? রইলো মাত্র ২০ মিনিটেই দোকানের মত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বানানোর রেসিপি।

উপকরণ: বড় আলু, লবণ, তেল, লঙ্কার গুড়ো ব্যাস এটুকুই। বাকি আপনারা আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী সংযোজন করতে পারেন। কীভাবে বানাবেন? আলু গুলি খোসা ছাড়িয়ে সরু সরু লম্বা লম্বা করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিন৷ এবার ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন ভালোভাবে। ততক্ষণ অবধি ধুতে থাকুন যতক্ষণ না আলু গুলো পরিষ্কার হয়ে যায় এবং জলে ঘোলাটে ভাব চলে যায়।

একটি পাত্রে এক চামচ লবণ দিয়ে আলু গুলিকে হাফ সেদ্ধ করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে আলু গুলি যেন পুরোপুরি ভাবে সেদ্ধ না হয়ে যায়। আলু গুলি উঠিয়ে কিচেন টাওয়ালের উপর রেখে শুকিয়ে নিতে হবে জল। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে তাতে অল্প কিছুটা আলুর টুকরো দিয়ে উচ্চ আঁচে ভেজে নেবেন। ভাজা হয়ে গেলে টিসু পেপারের উপর ছড়িয়ে দেবেন। ১০ মিনিট সময় নিয়ে ঠাণ্ডা করে একটি চেন যুক্ত প্যাকেটে অথবা টিফিন কনটেইনার করে ফ্রিজে রাখুন। কম করে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার জন্য এভাবেই আলু গুলিকে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।

এরপর ফ্রিজ থেকে বের করে ওই ঠান্ডা আলু গুলিই আবার ডুবো তেলে মিনিট পাঁচেক ধরে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। দেখা যাবে আলো গুলি হালকা সোনালী রং এর হয়ে গিয়েছে। এরপর আলু গুলিকে করা থেকে একটি পাত্রে তুলে নিলেই এক্কেবারে রেডি হয়ে যাবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। এবার উপর থেকে লবণ, চাট মশলা, লঙ্কার গুঁড়ো ছড়িয়ে নিতে হবে। চাইলে কেউ পাসলে পাতা বা ধনে পাতাও যোগ করতে পারেন। ব্যাস বাড়িতে বসেই রেডি দোকানের মতন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।