নতুন শহরে নতুন ভাবে বাঁচার আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দীপা, বিপদের মুখে পড়েও হাল ছাড়বে না সে

বাংলা মেগা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chowa)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকেই দর্শকদের মনে জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। তাই টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহে দুর্দান্ত ফলাফল করতে দেখা যায়। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তবে একঘেয়ে ধারাবাহিক দেখতে দেখতে অনেকেই বিরক্ত হয়ে উঠেছেন।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বেই দেখানো হয়েছে নতুন শহরে পা রেখেছে দীপা। আর সেখানে সবাই অজানা অচেনা মানুষ। কিছুই তার চেনা নয়, কোথায় যাবে, কোথায় থাকবে কিছুই জানা নেই তার। নতুন শহরে এসেই নতুন করে বিপদের মুখোমুখি হয়েছে দীপা। অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে তাকে। নতুন শহরে এসেই ঠগ জোচ্চরদের পাল্লায় পড়ে টাকা পয়সা সমস্ত চুরি হয়ে গিয়েছে। এমনকি মাথার উপর ছাদ টুকু নেই তার।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Telivision, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode 22 September, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২২ সেপ্টেম্বর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২৩ সেপ্টেম্বর (Anurager Chowa Today Episode 23 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে দীপা। তার কাছে খাবার খাবার টাকা টুকুও নেই। অনেক কষ্টে বাজে লোকদের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে দীপা। তারপর রাস্তার উপরে একটি বাঙালি রেস্টুরেন্ট দেখতে পাই সে। সেখানে সাহায্য পাওয়ার আশায় ছুটে যায়। কিন্তু গিয়ে দেখে সেই দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই সেই রেস্টুরেন্টের পাশে রাখা বেঞ্চে রাতটুকুর জন্য আশ্রয় নেয়। ঠিক সেই সময়তেই দেখা যায় ওখানে এসে হাজির হয় সূর্য। সোনা ওই মাঝরাতে কড়াইশুঁটির কচুরি খাওয়ারও বায়না ধরেছে। আর সোনার কথা রাখতেই বাঙালি রেস্টুরেন্টে ছুটে আসে সূর্য। এসে দেখে রেস্টুরেন্ট বন্ধ। এরপর বাড়ি ফিরে যাবার সময় সূর্য হঠাৎই অনুভব করে তার আশেপাশে রয়েছে দীপা। দীপার কথা মনে পড়ে যাওয়ায় সূর্যের পুরনো সমস্ত স্মৃতি আবার মনে পড়ে যায়। কত বছর দীপা এবং রুপা তার থেকে আলাদা। সেই কষ্টটা আবার কুরে কুরে খায় সূর্যকে।

অন্যদিকে রেস্টুরেন্টের পাশে বেঞ্চে দীপাকে ওভাবে শুয়ে থাকতে দেখে সূর্যের মনে প্রথমে খটকা লাগে, তার মনে প্রশ্ন জাগে। কিন্তু অজানা অচেনা মহিলা বলে সূর্য তাকে এড়িয়ে যায়। এত কাছে এসেও সূর্য দীপা আবারো দূরে সরে যায়। পরের দিন সকালে আবারও সূর্য এসে হাজির হয় ওই রেস্টুরেন্টের সামনে। দীপা তখনও সেই বেঞ্চে শুয়ে রয়েছে। এরপর দেখা যায় হঠাৎ সূর্যের মাথায় গাছ থেকে কতগুলো ফুলের পাপড়ি ঝরে পড়ে। সেই পাপড়ি মাথা থেকে সরিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয় সূর্য। আর সেই পাপড়ি গিয়ে পড়ে দীপার কোলে। তাতেই ঘুম ভেঙ্গে যায় দীপার। ফুলের পাপড়ি হাতে নিয়ে দীপা অনুভব করে তার আশেপাশেই তার ডাক্তারবাবু রয়েছে। কিন্তু একে অপরের সঙ্গে দেখা হয় না সূর্য-দীপার।

এরপরে দেখা যাক ঐ রেস্টুরেন্টের গার্ড দীপার সঙ্গে খুব অভদ্র ব্যবহার করে। দীপা একটু জল চাইলে সেই জলের দাম ৮০ টাকা চাই। বাধ্য হয়ে দীপা সেখান থেকে জল না খেয়ে বেরিয়ে আসে। একটু জল আর খাবারের সন্ধানে ঘুরতে থাকে দীপা। তখনই একটি বাচ্চাদের স্কুলের প্রোগ্রামের হইহুল্লোড় দেখতে পাই দীপা। সেখানে বাচ্চাদের গান শোনানোর জন্য একজনকে দরকার। কিন্তু যারা বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে এসেছে তাদের মধ্যে কেউই গান জানে না। এরপরে দীপা রোজগারের আশায় সেখানে গিয়ে গান গায়। কিন্তু এখানেও ঠকে যায় দীপা। দীপা যে এই শহরের না তা বুঝতে পারে দীপা। আর গান গাওয়ার পরিবর্তে তাকে ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। সেটা নিয়েই দীপা সেখান থেকে বেরিয়ে আসে।

এরপর দীপা সেই ৫০০ টাকা হাতে নিয়ে একটা ফুটপাতের জুতোর দোকানে দাঁড়ায় জুতো কেনার জন্য। সেখানে জুতোর দাম ৫০০ টাকা চায়। কিন্তু দীপা দামাদামি করে সেই জুতো ৩০০ টাকায় কেনে আর মনে মনে ঠিক করে এই শহরেই তাকে মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। যে করেই হোক সে একটা কাজ ঠিকই জোগাড় করে নেবে। এবারে দেখার অপেক্ষা দীপা সূর্য একই শহরে থাকার পর কবে দেখা হয় তাদের।