ঠাম্মির বিধানেই সুধার সর্বনাশ! তেজের জীবন থেকে সরে যাচ্ছে সে! জমে গেল আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে একটি হলো ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। ধারাবাহিকের গল্প প্রথম থেকেই পছন্দ ছিল দর্শকদের। অন্য ধাঁচের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। এদিকে ধারাবাহিকে সোনামণি হানির জুটিও দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। প্রতি সপ্তাহেই দর্শকদের জন্য থাকে নতুন নতুন চমক। এই সপ্তাহেও থাকছে বিশেষ চমক।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বিচারকদের সামনে তেজদের ফ্যাক্টরির পুজো পন্ড করতে ইলেকট্রিকের মেন লাইনের তার কেটে দিয়েছিল ইমন কিন্তু তার সেই প্ল্যান সফল হয়নি। সুধার বোন ঝিনুক এবং সমুদ্র মিলে সেই দিকটা সামলে নিয়েছে। অন্যদিকে ইমনের গজাননের মূর্তি নষ্ট করার প্ল্যানও নষ্ট করে দেয় সুধা। আর বিচারকদের সামনে বসু মল্লিক পরিবারের মান সম্মান রক্ষা করে।

Shubho Bibaho, Star jalsha, Bengali Serial, Serial, Bengali Telivision, শুভ বিবাহ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Shubho Bibaho Today Episode 25 September, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ২৫ সেপ্টেম্বর, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ২৬ সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 26 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে বিচারকেরা সুধার হাতে বানানো মিষ্টি খেয়ে এবং পুজোর আয়োজন দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। তারপর বিচারকেরা মিলে আলোচনা করতে থাকে। অবশেষে বিচারকদের বিচার অনুযায়ী এবছর গনেশ পুজোর সেরা পুরস্কার পায় তেজ বেকারী। বাড়ির সকলেই এই খুশির খবরে আনন্দিত হয়ে ওঠে। বিচারকেরা ঠাম্মির হাতে তুলে দেয় সেরা পুরস্কার। সুধা দূর থেকে আড়ালে দাড়িয়ে সবকিছু দেখতে থাকে। এরপর ঠাকুর ভাসানের আগে বাড়ির সকলে ঠাকুর বরণ সেরে নেয়। সবশেষে যখন ঠাকুর মশাই সুধা এবং তেজকে ডেকে বরণ করতে বলে তখন ঠাম্মি বাধা দেয় সুধাকে। ঠাম্মি জানিয়ে দেয় সে সুধাকে সকলের সামনে পুজোতে আসতে দিয়েছে তার মানে এই নয় যে সুধা ঠাকুর বরণের সুযোগ পাবে। তাই সুধাকে বরণ করার সুযোগ দেয়না ঠাম্মি। ঠাম্মির এই সিদ্ধান্তে সকলেই বেশ অসন্তুষ্ট হয়। তেজ, তেজের বাবা, কাকা সকলে মিলে বলাবলি করতে থাকে যে ঠাম্মি এই কাজটা কেনো করলো সুধার সাথে।

অন্যদিকে দেখা যায় সুধার জেঠিমা এবং বৌদি মিলে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে দোয়েলকে বসু মল্লিক বাড়ির বউ বানানো যায় সেটা নিয়ে। দুজনে মিলে দোয়েলকে সমুদ্রকে ফাঁসানোর কথা বলে। তারা যে আসলে কি প্ল্যান করছে সেটা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। এরপর দেখা যায় সুধা এবং তেজ মিলে যারা গনেশ পুজোতে ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিল তাদের টাকা মিটিয়ে দেয়। আর এই সবকিছু আড়াল থেকে দেখতে থাকে ইমন এবং তার মা। তারা বুঝতে পারে এই সবকিছু সুধার জন্যই সম্ভব হয়েছে। তারপরই ইমন ঠিক করে নেয় সুধার থেকে এই বদলে তো ইমন নেবেই।

অন্যদিকে ঠাম্মি সুধাকে জানিয়ে দেয় তিনি সুধার পরিবারের উপর থেকে ফ্রড কেস তুলে নেবে কিন্তু সুধাকে তার বিনিময়ে তেজের জীবন থেকে চলে যেতে হবে। কারণ সুধা তেজের যোগ্যই নয়। সে একজন ডিভোর্সী, তাই তেজের সাথে তার কোনো তুলনাই হয় না। সুধা তখন ঠাম্মিকে জানিয়ে দেয় সে তেজের দেওয়া ৩০ লক্ষ টাকা ঠিক সময় মতন ফিরিয়ে দেবে কিন্তু সুধা তেজের জীবন থেকে চলে যাবে না। কিন্তু ঠাম্মি যতদিন না চাইছে সুধার ছায়াও পড়বে না তেজের উপর। কিন্তু এসব শুনে তেজ মনে মনে কষ্ট পায়। কারণ তেজ শুরু থেকে সুধার সব বিপদে পাশে ছিল এখন সুধা শুধুমাত্র ঠাম্মির কথায় তার থেকে দূরে হয়ে যাচ্ছে। এবারে দেখার পালা ঠাম্মি কি কোনদিনও সুধার মর্ম বুঝতে পারবে কি না।