মালিকের দেওয়া শর্তের বিনিময়ে আশ্রয়! দীপার জীবনে নতুন মোড়!

ধারাবাহিক জগতে বেশকিছু পুরোনো ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল স্টার জলসার (Star jalsha) ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chowa)। ধারাবাহিকটি শেষ দুবছর ধরে চলছে টেলিভিশনের পর্দায়। ধারাবাহিকের দুই মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ (Swastika Ghosh) ও অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত (Dibyojyoti Dutta)। ধারাবাহিকের গল্প বর্তমানে বেশ কয়েকবছর লিপ নিয়েছে। এগিয়ে গেছে পাঁচ বছর। এই পাঁচ বছরে অনেককিছু বদলে গেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বেই দেখানো হয়েছে একটি বাঙালি রেস্টুরেন্ট এ কাজ করার সুযোগ পেয়েছে দীপা। সেখানে তাকে বাসন মাজা, কাপড় কাঁচা সব কাজ করতে হবে। এতবড় শহরে এসে যে দীপা মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে এতেই সে কৃতজ্ঞ ভগবানের কাছে। অন্যদিকে উর্মি দীপার খোঁজ করতে থাকে তার মায়ের কাছে। কিন্তু দীপা কোথায় আছে সেই খোঁজ তার মা কাউকে দেয়না। ওইদিকে দীপা সূর্য একই শহরে কাছাকাছি এসেও বারবার দূরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দুজনেই বুঝতে পারছে তাদের একে অপরের উপস্থিতি।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Telivision, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode 25 September, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২৫ সেপ্টেম্বর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২৬ সেপ্টেম্বর (Anurager Chowa Today Episode 26 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে যে দীপার কাজ দেখে খুশি হয়ে ওই বাঙালি রেস্টুরেন্ট এর মালিক তাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। দীপার ফুল দিয়ে সাজানো দেখে সে মুগ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু ওই ভদ্রলোক দীপাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে কাজে আসার সময় এক মিনিটও দেরি সে পছন্দ করে না। তাই যদি কাজটা দীপার প্রয়োজন হয় তাহলে বাড়ি থেকে সময় মতন বেরিয়ে কাজে আসতে হবে। তখন দীপা জানায় তার এখানে কোন থাকার বাড়ি নেই। তখন ওই রেস্টুরেন্টের মালিক রেস্টুরেন্টের স্টোর রুমে দীপাকে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। কোন দিকে দীপার মা বারবার দীপাকে ফোন করতে থাকে বারবার। অবশেষে ফোন করে দীপার খোঁজ নেয় সে। জানতে চাই দীপা কেমন আছে, সেখানে ঠিকমতো পৌঁছতে পেরেছে কিনা। বাড়ি ঘর কেমন সবকিছু। তবে দীপার সাথে এই শহরে আসার পর কি কি হয়েছে সে সবকিছু সে আড়াল করে যায় কিছুই জানায় না বাড়িতে।

দীপার উপস্থিতি অনুভব করে সূর্য

এরপরই দেখা যায় দীপা ভগবানকে বলতে থাকে তার সাথে কেন বারবার এরকম হয়। কেন সে সবসময় বিপদের মুখে পড়ে। আবার কিছুক্ষণ পরেই ভগবানকে তার জীবনে এত কিছু দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানায় এবং ভগবানকে দোষী বলার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয়। অন্যদিকে তো দীপা এবং চারুর সুটকেস অদল বদল হয়ে গিয়েছে। চারু নিজের সুটকেস থেকে সোনার জন্য উপহার বার করতে গিয়ে দেখে তার ব্যাগে শাড়ি, ব্লাউজ, কৌটো ইত্যাদি। অন্যদিকে দীপাও ব্যাগ খুলে নিজের জামা কাপড় বার করতে গিয়ে দেখে তার ব্যাগে নিজের জামা কাপড় কিছুই নেই।

এরপর চারুর চিৎকারে নিচে নেমে আসে সূর্য। চারু সুটকেস থেকে দীপার শাড়ি হাতে বানানো ফুল সবকিছু বের করতে থাকে। আর সূর্যকে দেখাতে থাকে। সূর্যের সেগুলো হাতে নিয়েই খুব চেনা চেনা মনে হয়। দীপার বানানো ফুলগুলো হাতে নিয়ে দীপার কথা মনে পড়ে যায় সূর্যের। সূর্যের মনে পড়ে যায় দীপার কথা, শাড়িগুলো হাতে নিয়ে সেই শাড়িতে লেগে থাকা গন্ধ খুব চেনা লাগে সূর্যর।সূর্য অনুভব করতে থাকে দীপা যেন তার খুব কাছেই রয়েছে। চারু সূর্যের কথা শুনে নিচে নেমে আসে সোনা। অন্যদিকে চারু তো ভেবেই বসে তার সুটকেস চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু সূর্য থেকে বলে হতেই পারে তারই মত দেখতে অন্য আরেকজনের সুটকেসের সঙ্গে তার সুটকেস অদল বদল হয়ে গিয়েছে। তখন চারু ভুল করে সূর্যকে ডাক্তার বাবু ডেকে ফেলে। ডাক্তারবাবু কথাটা শুনে সোনা তো আবার রিয়াক্ট করে ফেলে, আবার উত্তেজিত হয়ে পড়ে। সূর্য তাকে কোনমতে শান্ত করে। চারু বুঝতে পারে না সোনা কেন এভাবে রিয়েক্ট করে উঠলো। এবারে দেখার অপেক্ষা একই শহরে এত কাছাকাছি থেকে আবার কবে মুখোমুখি হয় সূর্য দীপা।