দীপাকে পেয়ে সোনাকে ভুলে গেল সূর্য! সত্যি হল সোনার আ’শঙ্কা!

বহুদিন ধরে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার মেয়ে সোনা চেষ্টা করে যাচ্ছিল যাতে কোনভাবেই কোনদিনও তার মা বাবার দেখা না হয়। কখনো যাতে দীপা সূর্যর সামনে না চলে আসে সেটাই বার বার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে সে। তবে সব সময় সব কিছু নিয়মমাফিক হয় না। একই শহরে একটা ছোট্ট বৃত্তের মধ্যে রয়েছে মা-বাবা এবং তাদের সন্তান। আর কতদিন সামনে না এসে থাকবে সূর্য দীপা?

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সোনা নিজের মাকে দেখার পর থেকেই খুব চিন্তায় পড়েছে কারণ সে চায় না তার মা আবারও তার আর তার বাবার মাঝখানে এসে দাঁড়াক। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে এত বছর পর সূর্য যদি একবার দীপার সংস্পর্শে আসে তাহলে তার জীবনের অনেক কিছু বদলে যেতে পারে সেই স্বার্থপরতা থেকে নিজের বাবাকেও একপ্রকার মায়ের থেকে আলাদা করে রেখেছে সোনা। কিন্তু ভাগ্যচক্রে বারবার একই জায়গায় এসে জড়ো হচ্ছে এই ছোট্ট পরিবার।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 5 October, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৫ অক্টোবর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৬ অক্টোবর (Anurager Chowa Today Episode 6 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দীপা তৈরি হয়ে যায় চারুর মেয়ের জন্য রান্না করতে যাবে বলে। সে এখনো জানে না যার যার জন্য সে রান্না করতে যাচ্ছে, সেই তার হারিয়ে যাওয়া ছোট্ট মেয়ে সোনা। শত আপত্তি থাকা সত্ত্বেও মায়ের মুখের দিকে চেয়ে দীপাকে যাওয়ার অনুমতি দিয়ে দেয় তার স্যার। বেরিয়ে পড়ে দীপা। অন্যদিকে সূর্যও নিজের বাড়ির প্রতি একটা অদ্ভুত টান অনুভব করে।

একই ছাদের নিচে সূর্য দীপা সোনা

দীপা রান্না করছে এমন সময় চারু এসে ফোন করে সূর্যকে। চারু ভেবেছিল সূর্য হয়তো আজকেও দেরি করে ফিরবে। কিন্তু সূর্য তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে চায়। তার মনে হতে থাকে বাড়িতে তার জন্য কেউ একজন অপেক্ষা করছে। যার সঙ্গে তার বহুদিন দেখা হয়নি তার সঙ্গে তার দেখা হতে পারে বাড়িতে গেলেই। তাই সে চারুকে জানিয়ে দেয় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে বাড়িতে আসছে। দীপাকে রান্নাঘরে দেখে এদিকে চমকে ওঠে সোনা।

সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সোনা স্বপ্ন দেখে, বাবা মা মুখোমুখি হয়ে সোনাকে দোষারোপ করছে। তাকে ভুল বুঝছে। সূর্য দীপাকে কাছে পেয়ে সোনাকে অবহেলা করছে। রুপার মৃ’ত্যুর জন্য তাকে দায়ী করছে। স্বপ্নটা হঠাৎ ভেঙে যেতে উত্তেজিত হয়ে পড়ে সোনা। দীপাকে যাচ্ছেতাই ভাবে কথা শুনিয়ে সে নিজের ঘরে চলে যায় আর ভাবতে থাকি কিভাবে বাবাকে মায়ের সামনাসামনি হওয়া থেকে আটকানো যেতে পারে।