স্বার্থহীন ভাবে সবার খেয়াল রাখতে রাখতে এখন নিজেই ভীষণ অসহায় এবং কোণঠাসা হয়ে পড়েছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। দরকার ছাড়া কারোর তাকে মনে পরেনা। এদিকে মায়ার বাঁধন কাটিয়ে একলা বাঁচার কথা ভাবতেও পারে না দীপা। আবার সুখ সবার শান্তি তার কাছে তার নিজের সুখের চাইতে অনেক বড় একটা বিষয়।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, চারুকে নিজের জায়গাটা দীপা ছেড়ে দিলেও চারু নিজের বন্ধুর সাথে এমন প্রতিযোগিতায় নামতে নারাজ। সে সমস্ত কিছু গুছিয়ে সূর্য আর সোনাকে ছেড়ে বেরিয়ে আসে। তার কাছে আর কোন উপায় নেই। সে যত ওই মানুষগুলোর সাথে থাকবে তত তাদের ওপর আরো বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। আর এটা কোনভাবেই চায় না চারু। চারুর চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেনা সোনা।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১০ নভেম্বর (Anurager Chowa Today Episode 10 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সূর্য সোনাকে বলে সেকি একবার তার মায়ের কাছে যেতে চায়? সোনা কিছুক্ষণের জন্য সে কথা ভাবার চেষ্টা করলেও আবার সেই পুরনো স্মৃতিগুলো তার সামনে ভেসে ওঠে। তখন আবার চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেয় সোনা। সে সূর্যকে ধাক্কা দিয়ে ঘরে চলে যায় আর যাওয়ার আগে বলে যায় চারু যদি না ফিরে আসে তাহলে সে অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলবে নিজের। এই বলে নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় সে। এদিকে ফোন করেও চারুকে ফোনে পায়না সূর্য।
চড়াও হল জয়ের পাওনাদার
অন্যদিকে দেখা যায়, দীপা আর জয় দীপ আর উর্মিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। এমন সময় বারবার জয়ের ফোনে ফোন আসতে থাকে। জয় ভেবে উঠতে পারেনা তার কি করা উচিত। তাই সে ফোনটা নিয়ে বাড়ির বাইরে চলে যায়। তার কিছুক্ষণ পর ঘরের মধ্যে ঢুকে আসে দুইজন গুন্ডা। তারা দীপাকে বলে, জয় তাদের থেকে অনেক টাকা ধার নিয়েছে। সেই টাকা ফেরত করতে না পারলে তাদেরকে কেউ প্রাণে বাঁচিয়ে রাখবে না তারা। এই বলে গুন্ডাগুলো সেখান থেকে চলে যায়।
আরও পড়ুনঃ ক্যামেরার সামনেই কেঁদে ফেললেন রুক্মিণী! প্রাক্তনের জন্য রুক্মিণীকে ঠকালেন দেব!
ছেলেধরার কবলে সোনা
এদিকে দেখা যায়, সোনার কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়েছে সূর্য। যখন তার চোখ খোলে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে। সূর্য সোনার ঘরে গিয়ে দেখে সে ওখানে নেই। এরপর অসহায়ের মতন রাস্তার খুঁজতে থাকে নিজের মেয়েকে। না পেয়ে অবশেষে চারু আর দীপাকে ফোন করে সাতটা জানায় সে। তারাও সোনার বিপদ জেনে তাড়াতাড়ি ছুটে আসে। এদিকে দেখা যায়, সোনা রাস্তার ধারে একটা বেঞ্চে বসে বসে কাঁদছে। আর তার দিকে এগিয়ে আসছে একজন ভয়ংকর ছেলেধরা।





