দীপার জন্য আজ বিপদ মুক্ত সোনা! সবশেষে আবারো মাকেই ভুল বুঝল সে!

যারা নিজেরে রাগ জেদ এই সমস্ত বিষয়গুলোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচে তাদের সামনে যতই আসল সত্যিটা টেনে আনা হোক না কেন তারা তাদের নিজেদের তৈরি সেই জাল থেকে বেরোতে পারে না। স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার মেয়ে সোনাও তাই নিজের মায়ের ভালো দিকগুলো দেখতে পাচ্ছে না। আর যত দিন যাচ্ছে অকৃতজ্ঞ হয়ে উঠছে সে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, চারু বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেকে আর শান্ত রাখতে পারে না। সে সূর্য আর সোনাকে ছেড়ে তাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারে না সোনা। সে বলে, চারু যদি ফিরে না আসে তাহলে সে নিজের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলবে। এটা শুনে ভয় পেয়ে যায় সূর্য। এরপর সোনা কাউকে কিছু না বলে একা একা রাত্রিবেলা বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যায় আর ভয়ংকর ছেলে ধরার খপ্পরে পড়ে।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 10 November, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১০ নভেম্বর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১১ নভেম্বর (Anurager Chowa Today Episode 11 November)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, চারু সূর্য দীপা এমনকি জয়ী প্রত্যেকে সোনাকে নিয়ে ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়ে। তারা সবাই নিজের নিজের মতন করে সোনাকে খুঁজতে থাকে। এমন সময় দেখা যায় রাস্তায় একা একা বেরিয়ে পড়ায় জয়ী একটা অটোর সামনে চলে আসে। সৌভাগ্যবশত সেটা ছিল তার বাবার অর্থাৎ বাবার চেনা লোক। তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায় সে। জয়ী এমনি এমনি যেতে চাইবে না জেনে দীপা ওই অটোর চালককে দিয়ে বলে পাঠায় যে ওলিকে ওর মা পেয়ে গিয়েছে। এটা শুনে শান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যায় জয়ী।

সোনাকে বাঁচালো দীপা

এদিকে দেখা যায় একটা ভয়ংকর দেখতে লোক আস্তে আস্তে সোনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভয়তে মা মা বলে চিৎকার করতে থাকে সোনা। এমন সময় সেখানে চলে আসে দীপা। সে তার মেয়েকে উদ্ধার করে ওই বিপদ থেকে। আর তারপর ওই গুন্ডাটাকে মেরে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। সোজা রেস্টুরেন্টে এসে সোনাকে জল ফলে রস খাইয়ে শান্ত করে। আর তারপর সব ঘটনা স্যারকে জানায়। পাশাপাশি সূর্যকে ফোন করেও সেখানে আসতে বলে।

হঠাৎ করে আবার পুরনো দিনের কথাগুলো মনে পড়ে যায় সোনার আর তখনই সে নিজের মার সাথে আবার জঘন্য ব্যবহার করা শুরু করে দেয়। একটু আগে কি হয়েছিল কিভাবে তাকে দীপা বাঁচল এ সমস্ত কিছু তার মাথা থেকে যেন উবে যায়। চোখের পলকে অকৃতজ্ঞের মতন নিজের মাকে আবারো দোষারোপ করা শুরু করে সে। শুনে বেশ রেগে যায় দীপার স্যার।