বিবাহবার্ষিকীর আনন্দেও বিষ ঢাললেন কমলিনীর বৌদি! নতুনকে নিয়ে শুরু পুরনো কটাক্ষ! তবু নতুনের সাহচর্যে ভরসা পাচ্ছে কমলিনী! চিরসখায় আজ ঘরে-বাইরে দ্বন্দ্ব

চিরসখার সাম্প্রতিক পর্বে সত্যিই ঘটেছে অনেককিছু! ধারাবাহিকের শুরুতে যেটা খুব একটা সাড়া ফেলেনি, সেটাই এখন সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে টিআরপি-র শীর্ষে। দর্শকদের ড্রয়িং রুমে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে এই লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা জনপ্রিয় ধারাবাহিক।

গতকালের পর্বে কমলিনীর জীবনে যেন এক ঝটকায় ঢুকে পড়ল দুটো বিপরীত দিক—একদিকে ষড়যন্ত্র, অন্যদিকে ভালোবাসা আর খুশির ছোঁয়া। চন্দ্র, তার ছেলে বুবলাই আর ছেলের বউ মিলে একপ্রকার যুদ্ধ ঘোষণাই করে ফেলেছে কমলিনীর বিরুদ্ধে। চন্দ্র যেন প্রতিদিনই বুবলাইকে উসকাচ্ছে—মায়ের প্রতি ঘৃণা, রাগ আর অপমানের আগুনে। এমনকি সে তো ছেলেকে আত্মহত্যার নাটক করতেও বলে! ভাবা যায়? নিজের ছেলেকে এইভাবে ব্যবহার করতে পারে একজন বাবা?

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New Promo, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন প্রোমো, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

তবে বুবলাই এই ষড়যন্ত্রে পুরোপুরি জড়াতে চায় না, রাগ থাকলেও সে এতটা নিচে নামতে চায় না। কিন্তু চন্দ্র থেমে নেই—সে বাইরে থেকে লোক ঠিক করার পরিকল্পনাও করে ফেলেছে নতুনকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য, কারণ তার মতে নতুনই এই পরিবারের যত গণ্ডগোলের মূল! এই চাপের মধ্যে এক আশার আলো হয়ে আসে নতুন। পরের দিন ভোরে কমলিনী পৌঁছে যায় তার মা-বাবার বাড়িতে। সঙ্গে ছোট ছেলে আর মিঠিও। মেয়ে আর নাতিকে একসঙ্গে দেখে আবেগে ভেসে যায় কমলিনীর মা-বাবা। তবে আসার পেছনে একটা সুন্দর কারণ ছিল—আজ তাদের বিবাহবার্ষিকী! সেই খুশি ভাগ করে নিতে চেয়েই এই চমকপ্রদ আগমন।

পরিবারের বাকিরাও একে একে যোগ দেয়—কুরচি, নতুন, সবাই। নতুন তো নিজেই নিয়ে এসেছে কেক, উপহার—সবাই মিলে যেন উৎসবের মতো কাটাচ্ছে দিনটা। এতদিন পর আবার কমলিনীর মুখে একরাশ হাসি দেখা গেল। নতুন শুধু ওর পাশে দাঁড়াচ্ছে না, বরং ওর পরিবারকেও আপন করে নিচ্ছে, এটা কমলিনীর মন ছুঁয়ে গেছে।

তবে দুঃখজনকভাবে, পরিবারের সবাই এই আনন্দ মেনে নিতে পারছে না। কমলিনীর বৌদি, যেমনটা আগেও দেখা গেছে, আজও ঠাট্টা, তিরস্কার আর কটাক্ষে ভরিয়ে দিচ্ছে নতুন আর কমলিনীকে। পুরোনো গল্প ঘাঁটা, অপমান—সব চলছেই। কিন্তু নতুন এখন এসব সামলাতে শিখে গেছে, কমলিনীও শক্ত হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে।

সব মিলিয়ে, আজকের পর্বটা ছিল আবেগ, ষড়যন্ত্র আর ভালোবাসার এক অপূর্ব মিশ্রণ। কিন্তু এখন বড় প্রশ্ন—আগামী পর্বে, ডিভোর্স মামলার রায় কী হবে? চন্দ্রের মুখোশ খুলে যাবে? নতুন আর কমলিনীর সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? সব উত্তর লুকিয়ে আছে চিরসখার পরের পর্বে। অপেক্ষায় থাকুন!