অভিনেত্রী অহনা দত্ত কদিন আগেই মা হয়েছেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে কোলজুড়ে এসেছে ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অনুরাগের ছোঁয়ার মিশকা এখন পুরোপুরি মাতৃত্বের সময় কাটাচ্ছেন। প্রেগন্যান্সির শেষের দিকেই অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। এখন ভ্লগ বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন নিজের প্রতিদিনের রোজনামচা। সেই ভ্লগ দেখতে ভক্তরাও বেশ পছন্দ করেন।
তবে নতুন জীবনের শুরুতেও বিতর্ক যেন কিছুতেই অহনাকে ছাড়ছে না। বিশেষ করে তাঁর মা চাঁদনী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েই সবচেয়ে বেশি কথা ওঠে। জানা যায়, মেয়ে মীরা জন্মানোর খবর তিনি প্রথম পেয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে। সেই সময় চোখের জলও চেপে রাখতে পারেননি চাঁদনী। অন্যদিকে অহনা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর পরিবার বলতে এখন স্বামী দীপঙ্কর, শ্বশুরমশাই আর মেয়ে মীরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই চাঁদনীকে দোষারোপ করেন। তাঁদের মতে, মা হিসেবে অহনার পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু চাঁদনী বেশিরভাগ সময় নীরব থাকতেই চান। তবু মাঝেমধ্যে নিজের মনের কথা লিখে ফেলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার যেমন নাম না করে একটি পোস্টে লিখলেন, “অনেক কিছু আমার কানে আসে, কিন্তু ইগনোর করি। কেউ এসে বলে, আপনাকে নাকি লোভী বলেছে। আমি কখনো বাবার বাইরে কারও থেকে নিজের স্বার্থে এক টাকাও নিইনি।”
এরপরই তিনি আরও যোগ করেন, “যার ইনকাম আমি নিয়েছি বলে কেউ মনে করেন, দয়া করে তার কাছে জেনে নিন আমি কোনোদিন এক টাকারও প্রত্যাশা করেছি কিনা। ভালোবাসা ছাড়া আর্থিক সাহায্য আমার প্রয়োজন হয়নি। বরং যেটুকু থাকবে, তারও ভবিষ্যৎ নেই। তাই কেউ ভুল বুঝলে আমি আর কিছু বলব না।” স্বাভাবিকভাবেই, এই লেখার পর কার দিকে ইঙ্গিত করলেন চাঁদনী, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার হতে চলেছেন অঙ্কুশ? অবৈধ বেটিং অ্যাপ কাণ্ডে নাম উঠল অঙ্কুশ হাজরার! ইডির সমন টলিউডে চাঞ্চল্য
অহনা ও দীপঙ্করের সম্পর্কও একসময় ছিল বড় বিতর্কের কেন্দ্র। ডান্স বাংলা ডান্স থেকে আলোচনায় আসেন অহনা, মায়ের সঙ্গেই তখন শোতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরে অনুরাগের ছোঁয়া সিরিয়ালে কাজ পেতে না পেতেই প্রেমে পড়েন মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্করের। বয়সে ১০ বছরের বড়, আবার ডিভোর্সি হওয়ায় মা মেনে নিতে পারেননি এই সম্পর্ক। সেখান থেকেই মা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু। লিভ-ইনে থাকা, লুকিয়ে বিয়ে, পরে বিয়ের খবর প্রকাশ— সবকিছু মিলিয়ে চাঁদনী আর অহনার দূরত্ব যেন আরও বেড়েই গিয়েছে। এখন আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঁদনীর লেখা দেখে সেই পুরনো অধ্যায় ফের সামনে চলে এসেছে।





