পাঁচ মাসের মেয়ে মীরাকে কোলে নিয়েই জীবনের বড় সুখবর! কি বললেন অহনা দীপঙ্কর?

টেলিভিশনের পরিচিত মুখ অহনা দত্ত খুব বেশি দিন হয়নি অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নাচের রিয়্যালিটি শো ডন্স বাংলা ডান্স দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর রাস্তা। সেখান থেকেই প্রথমবার সুযোগ পান অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে কাজ করার। খল চরিত্র মিশকা হয়ে তিনি দারুণ জনপ্রিয়তা পান এবং প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে দর্শকের মনে জায়গা করে নেন। এই দীর্ঘ সময় তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক পালাবদল ঘটে। প্রেম, বিয়ে, মাতৃত্ব সব মিলিয়ে তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোই ধরা পড়ে ধারাবাহিকের সময়কালেই।

এই সময়েই অহনার জীবনে এসে পড়েন দীপঙ্কর দে। কাজ করতে করতেই তাঁদের মধ্যে জন্ম নেয় ভালোবাসা। সেই প্রেম পৌঁছে যায় বিয়েতে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের ঘরে আসে ছোট্ট মীরা। নতুন মা হিসেবে অহনাকে দেখা যায় প্রায়ই বিভিন্ন মুহূর্ত ভ্লগের মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। অভিনয়ে শিগগিরই ফিরতে চলেছেন তিনি, কিন্তু তার আগেই দিলেন দারুণ সুখবর যা শোরগোল ফেলেছে সামাজিক মাধ্যমে।

অহনা জানান কিছুদিন আগে তাঁরা পুরোনো গাড়িটি বিক্রি করেছেন। তার পর থেকেই নতুন গাড়ি কেনার অপেক্ষা করছিলেন দুজনেই। অবশেষে বুধবার সপরিবারে হাজির হন গাড়ির শোরুমে এবং কিনে ফেলেন আরও বিলাসবহুল একটি নতুন গাড়ি। পাঁচ মাসের মীরাকে কোলে নিয়েই অহনা এবং দীপঙ্কর দেখে নেন সমস্ত কাজকর্ম। শেষ পর্যন্ত তাঁরা নিয়ে আসেন নতুন মারুতি আর্টিগা জেডএক্সআই প্লাস যার দাম প্রায় আট থেকে দশ লাখ টাকা।

এই আনন্দঘন মুহূর্তে উপস্থিত ছিল পুরো শ্বশুরবাড়ি। অহনার মা তাঁদের সম্পর্কে মত না দিলেও শ্বশুরবাড়ির মানুষ তাঁকে প্রথম দিন থেকেই আগলে রেখেছেন। ননদ, ননদের ছেলে, শ্বশুর, স্বামী এবং ছোট মীরাকে নিয়ে গাড়ি কেনার সেই মুহূর্ত ছিল একেবারে উৎসবের মতো। ভিডিওটি শেয়ার করে অহনা লিখেছেন মীরা এবং আপনাদের আশীর্বাদে সবই সম্ভব।

মাত্র আঠারো বছর বয়সে বিয়ে এবং একুশেই মা হওয়া জীবনের সহজ পথ ছিল না অহনার জন্য। তাঁর শাশুড়ি তাঁকে সবসময় সামলে রেখেছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নাতনির মুখ দেখতে পারেননি তিনি। সেই স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে মেয়ের নাম রাখা হয় মীরা। এখন দর্শকের অপেক্ষা কখন আবার ছোট পর্দায় ফিরবেন অহনা। তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকে অভিনয় করবেন পল্লবী শর্মা এবং বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন আরও পরিচিত শিল্পী মানসী সেনগুপ্ত রীতা দত্ত চক্রবর্তী এবং দুলাল লাহিড়ি।