একজন প্রকৃত বন্ধু সেই মানুষটাই হতে পারে যে তার বন্ধুর বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নিজে নিঃস্ব হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুকে বিপদমুক্ত করতে অর্জুনের পাশে এসে দাঁড়ালো স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। নিজের এমন অবস্থাতেও একজনের পাশে দাঁড়াতে যে মনের জোর লাগে সেই জোর দীপাকে দিল তার দুই মেয়ে সোনা রুপা। সোনা রুপার ভাবনা চিন্তা, বুদ্ধি সবটাই বারবার প্রশংসিত হয় দর্শক মহলে। সম্প্রতি দীর্ঘ কয়েক মাস বা পর ফের প্রথম পাঁচে ঢুকে পড়েছে অনুরাগের ছোঁয়া।
আরো পড়ুন: দাদার শরীরে বি’ষ আছে শুনে পলাশের বেজায় আনন্দ দেখে সন্দেহ ডাক্তারের! উল্টোদিকে প্রতীক্ষার কথায় সন্দেহ বাড়লো পুলিশের!
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সূর্য অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক নিজের সাথে সময় কাটাতে শুধুমাত্র নিজেকে সময় দিতে তার দুই সন্তানকে ছেড়ে অনেক দূর নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছে। তাকে খোঁজার অনেক চেষ্টা করেছে সবাই কিন্তু কারোর কাছেই সে ধরা দেয়নি। এই বিষয়টাকে সবাই পালিয়ে যাওয়াই বলে ধরে নিয়েছে। এদিকে তার অনুপস্থিতিতে তার গোটা পরিবার ভেসে যেতে বসেছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সেনগুপ্ত পরিবারের দুই শত্রু হাত মিলিয়ে আরো অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। পাপাই এবং সেই ব্যাক্তি, যাকে দীপা জেলে পাঠিয়েছিল, তারা দুজন মিলে লাবণ্য সেনগুপ্তর অনেক বড় ক্ষতি করতে উদ্যত হয়ে উঠেছে। তারা দুজন মিলে লাবণ্য সেনগুপ্তর এক কর্মচারীকে হাত করে সব ফাইল জোগাড় করে ফেলেছে। বদলে অনেক টাকাও দিয়েছে তাকে। পাপাই বলে, “আমার গোটা সেনগুপ্ত বাড়ি চাই। মিশকা বেরোলে আমি ওকে গিফট করবো ওটা।” সেনগুপ্তদের পথে বসানোর সব প্ল্যান ছোকে ফেলে তারা।
অন্য দিকে খোকা ছুটে আসে দীপার কাছে। অর্জুনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সব কিছু বিস্তারিত তাকে জানায়। খোকা দীপাকে অনুরোধ করে, যেনো সে অর্জুনের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। সোনা রুপাও একই কথা বলে। দীপা তখন অর্জুনের কাছে যায়। অর্জুন দীপাকে দেখে ঘাবড়ে যায়, সে ভাবে রুপার বোধ হয় কিছু হলো, তখন দীপা তার আসার কারণ জানায়। দীপাকে পাশে পেয়ে আবার নিজের মনের জোর ফিরে পায় অর্জুন। আবার নতুন উদ্যোগে সবটা শুরু করার চেষ্টা করে সে।
অন্য দিকে রুপা মনে মনে ভাবতে থাকে, সে সুস্থ হয়ে উঠলে মায়ের কষ্ট কম করতে পারবে। তাই সে মনে মনে ঠাকুরকে বলে, তাকে যেনো তাড়াতাড়ি সুস্থ করে দেয় ভগবান। এরপর মনের জোর নিয়ে উঠে দাঁড়ায় সে। ঠিক সেই সময় ঘরে ঢোকে দীপা। রুপাকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আনন্দে ভরে ওঠে তার মন। তারপর সে রুপাকে নিয়ে অর্জুনের কাছে যায়। অর্জুন সবটা দেখে শুনে বলে, রুপা খুব তাড়াতড়িই সুস্থ হয়ে যাবে আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবে। অনেকটা নিশ্চিন্ত হয় দীপা।





