জ্ঞান ফিরে পেতেই শিমুলের খোঁজ নিল পরাগ! মেয়ে জেলে জানতে পেরেও মুখ ফেরালো শিমুলের মা!

বেশ কয়েক মাস আগেই জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছিল বাস্তববাদী মেগা কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি বাংলার ঘরে ঘরে জায়গা করে নিয়েছে। বাস্তবে প্রতিনিয়ত মেয়েদের সাথে ঘটে চলা অন্যায় গুলোকে দর্শকদের সামনে নাটকীয়তার মোড়কে প্রতিফলিত করছে এই মেগা। তবে ধারাবাহিকের নায়িকাকে ভীষণ পছন্দ করেন ভক্তরা। সম্প্রতি সেই নায়িকা অর্থাৎ শিমুল মহা সংকটে পতিত হয়েছে যা তার জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে।

আরো পড়ুন:আবার চমক টিআরপিতে! জ্যাস ম্যাজিকও ফিকে পড়ছে এই সপ্তাহে! ফের টিআরপির টপে সূর্য-দীপার সম্পর্কের টানাপড়েন!

 

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শিমুল এতদিন ধরে তার প্রাক্তন শাশুড়ি এবং ননদের জন্য অনেক কিছু করেছে। তাদেরকে ভালো রাখবে বলে আইনী বিচ্ছেদের পরেও নিজের প্রাক্তন শ্বশুরবাড়িতে থেকে গিয়েছে। নিজের জীবনে সুখের হাতছানিটে প্রলোভিত না হয়ে, নিজের সুখের কথা না ভেবে পরকে আপন করে নিয়েছে। কিন্তু তার দাম সে পেলো না। মধুবালা আবারো শিমুলের উপর সন্দেহ করে অতন্ত অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিল। তার অনিশ্চিত সাক্ষ্য শিমুলকে জেলের অন্ধকারে ঠেলে দিল। এত দিন ধরে পরাগ প্রতীক্ষার মনের জ্বালা মিটলো।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় বিপাশা ফোন করেছে শিমুলের বাড়িতে। সেখানে সে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। সবটা শোনার পরেও শিমুলেরই দোষ খোঁজে তার ছোট বৌদি। শুধু তাই নয় শিমুলকে সাহায্য করার কথা বা দেখতে আসার কথা অবধিও তুলতে চায় না তারা। বিপাশা ভেবেছিল শিমুলের বাড়িতে জানালে হয়তো কিছু অন্তত সাহায্য পাওয়া যাবে। কিন্তু এমন কিছুই ঘটে না উপরন্ত শিমুলের মা বলে, “শিমুল আমাদের কাছে মৃত ওকে ওর নিজের দায় নিজেকেই নিতে হবে।”

অন্যদিকে হাসপাতলে পরাগের বেডের সামনে পরাগের চোখ খোলার অপেক্ষায় বসে থাকে তার পরিবারের লোকজন। চোখ খুলতেই নিজের মাথার পাশে মাকে দেখতে পায় পরাগ। ছেলেকে জ্ঞান ফিরে পেতে দেখে একটু শান্তি পায় মধুবালা। সে জিজ্ঞাসা করে তার কি হয়েছিল? প্রতীক্ষা বলে তাকে কেউ বিষ খাইয়েছিল। আর এই কাজটা যে করেছে তাকে সবাই মিলে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছে। মধুমালা পরাগকে বলে, সে বুঝতে পারেনি সেই মেয়েটা মনে মনে এত রাগ পুষে রেখেছে।

 

অন্যদিকে বেশ চিন্তায় পড়ে যায় শিমুলের প্রতিবেশী বান্ধবীরা। কারণ শিমুলকে ছাড়াতে গেলে কিছু খরচা তো করতে হবে। সেটা কে করবে? শীর্ষা বলে, আজ তার যদি বোন থাকতো তাহলে তো তাকে করতেই হত। বাকিরা নিজের সামর্থ্য মতো দেবে কিন্তু বেশিরভাগটাই দেবে শীর্ষা কারণ সে চাকরি করে। বিষয়টাকে নিয়ে তারা উঠে পরে লাগে। কারণ তারা বুঝে গিয়েছে কেউ নেই যে শিমুলকে এই অবস্থা থেকে বের করে আনবে। শতদ্রুর যেহেতু বিয়ে ঠিক হয়েছে তাই তাকেও কিছু বলতে পারেনা তারা।