জেলে অত্যাচারের শিকার শিমুল! তার অবস্থা জেনে সাহায্যের হাত বাড়ালো শতদ্রু, করুণা নিতে নারাজ বিপাশা!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটির বর্তমান পর্বগুলিতে এক নিদারুণ ঝড় বয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের জীবনে। কিছু না করেও সমস্ত দোষের ভাগীদার হতে হচ্ছে তাকে। এতদিন ধরে সে যে দরদ যে মায়া-মমতা দেখিয়ে এসেছে তার জন্য শিমুলের ওপরেই রেগে যাচ্ছেন ভক্তরা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগ এমন কিছু একটা খেয়ে ফেলে যার জন্য তার শরীরে বিষক্রিয়া ঘটে এবং বিয়ের দিন সকালেই অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পরে সে। প্রতীক্ষা বিষয়টা দেখার পর প্ল্যান করে ফেলে কিভাবে এসব কিছুর দায় শিমুলের ওপর চাপানো যায়। তাই আসল বিষয়টাকে চেপে দিয়ে সে সবটা শিমুলের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। এমনকি থানায় গিয়ে তার নামে কমপ্লেন অব্দি করে আসে। মধুবালার সাথে কথা বলে পুলিশ বুঝতে পারে, নিজের প্রাক্তন বৌমার প্রতি তার সন্দেহ রয়েছে।

মধুবালাকে প্রত্যেকে বলে, সে যেন আবার আগের মতন একই ভুল না করে। এইবার যেন শিমুলের ওপর বিশ্বাস রাখে সে। কিন্তু মধুবালা সেটা পারেনি। সে কথা বার্তার মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেয়, বাড়িতে একমাত্র শিমুলই রয়েছে যে এই কাজ করতে পারে, এছাড়া আর কেউ পরাগের এত বড় ক্ষতি চাইবে না। এইটুকুই দরকার ছিল পুলিশের। এরপর শিমুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শিমুলের প্রতিবেশী বান্ধবীরা এমন বিপদের দিনে প্রথমেই ফোন করে শিমুলের মাকে। ফোনটা ধরে তার ছোট বৌদি। তারা সবটাই শুনে সবটাই বোঝে কিন্তু স্পষ্ট জানিয়ে দেয় এইবার শিমুলের পাশে তারা থাকতে পারবে না। সবটা শোনার পর শিমুলের মা বলে, শিমুল তাদের কাছে মৃত। এরপর বিপাশার আর কিছুই বলার থাকে না।

আরও পড়ুন: স্টার জলসার অ্যাওয়ার্ড শো থেকে বাদ পড়লেন জনপ্ৰিয় দুই নায়িকা, কারণ জানলে আক্ষেপ করবেন আপনিও

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, জেলে বসে রয়েছে শিমুল। তার পাশে কয়েদিদের ভিড়। একজন কয়েদি তাকে বলে, “তুমি নাকি তোমার স্বামীকে বিষ খাইয়ে মারার চেষ্টা করেছ!” শিমুল বলে, “আমার কথা আর নাই বা বললাম, কেউ আমার কথা শোনেনি।” অন্যদিকে কোর্টের বাইরে শতদ্রুর সাথে দেখা হয় শিমুলের প্রতিবেশী বান্ধবীদের। শতদ্রু তাদেরকে বলে, তার কাছে একটা ভালো লরিয়ার আছে। কিন্তু শিমুলের বান্ধবীরা সেই করুণার দান নিতে অস্বীকার করে।