রঞ্জার চক্রান্তে শয়তান লোকেদের কবলে পড়লো পুতুল! সবটা জেনে ছুটে এলো শিমুল!

বর্তমানে যেখানে সবাই শুধুমাত্র নিজের সুখের কথা চিন্তা করতেই ব্যস্ত সেখানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটির নায়িকা শিমুল আবারো নিজের জীবনে এক চরম আত্মত্যাগ করতে চলেছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। যদিও টিআরপিতে আর কিছুতেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগের অবস্থা দেখে বেশ মর্মাহত শিমুল। পরাগ এবং তার মা মধুবালা এরপর কিভাবে নিজেদের দিনযাপন করবে সে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে সে। তারা সবাই খুব ভালো করে জানে পলাশ কখনোই তার মা এবং দাদাকে দেখবে না। এদিকে পরাগের যা অবস্থা তাতে এই মুহূর্তে সে কোনভাবেই নিজের চাকরিটা চালিয়ে যেতে পারবে না। পরাগ শিমুলকে সেই চাকরিটা করতে বলে তবে তার জন্য আগে শিমুলকে পরাগের আইনত স্ত্রী হতে হবে।

তুমি বুঝতে পারছে না তার কি করা উচিত। সেকি নিজের আগের স্বামীর কাছে ফিরে আসবে নাকি শতদ্রু সাথে নতুন করে একটা জীবন শুরু করবে। এক অসম্ভ রকমের দোটানার মধ্যে পড়ে গিয়েছে শিমুল। সে চাইলেই একটা সুন্দর জীবন শুরু করতে পারে শতদ্রুর সাথে। কিন্তু বারবার তার প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলোর চিন্তা তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তবে কি পঙ্গু পরাগকে বিয়ে করে নিজের বাকি জীবনটা নিজের শ্বশুরবাড়িকে দেখাশোনা করেই কাটিয়ে দেবে শিমুল! এই চিন্তা দর্শকদেরও বারবার ভাবিয়ে তুলছে।

এর মাঝেই বিয়ে হয়ে গিয়েছে পুতুলের। এত কিছুর মাঝেও এই একটাই ভালো বিষয় ঘটেছে আর সেটাও ঘটেছে শুধুমাত্র শিমুলের জন্য। শিমুল না থাকলে তীর্থর মতন এত ভাল একটা ছেলেকে কখনোই পেতনা পুতুল। তবে তীর্থর বৌদি মোটেই পছন্দ করে না পুতুলকে। তার কারণ এখনো অবধি কষ্ট হবে জানা যায়নি। তীর্থ কি পারবে পুতুলকে যত্নে রাখতে? বিয়ের পরের দিনই ঘটে গেল চরম অঘটন।

আরও পড়ুনঃ নতুন চমক গীতা এলএলবি-তে! শত্রুদের ঘরের মধ্যে থেকেই ন্যায়ের জন্য লড়াই করবে গীতা! প্রকাশ্যে প্রোমো

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে তীর্থকে ফেলে অন্যমনস্ক হয়ে অনেক দূর এগিয়ে যায় পুতুল যার ফলে সে আর কিছুই চিনতে পারে না তীর্থ পুতুলকে খুঁজে না পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে শিমুলকে। এদিকে রাস্তায় কিছুদূর গিয়ে একটা জায়গায় তিনটে লোককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পুতুল, সে তাদের কাছে গিয়ে নিজের বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞাসা করে। লোক গুলো বুঝতে পারে পুতুল মানসিক ভারসাম্যহীন আর তাকে নিয়েই নিজেদের মধ্যে কিছু একটা কথা বলতে থাকে।