প্রত্যেক মুহূর্তে একটা করে নতুন অশান্তি নতুন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। বর্তমানে তার ভালো-মন্দ সবকিছু থেকে হাত তুলে দিয়েছে সূর্য সবকিছুর দায়িত্ব না বলতে অর্জুন। ঠিক ভুল না ভেবেই এতদিনস্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) এই ধারাবাহিকের নায়িকাকে অনেকেই অনেক কষ্ট দিয়েছে। তবে অর্জুন চেষ্টা করছে তাকে যত্নে রাখার।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা আর অর্জুন দুজনের অনুপস্থিতিতে অর্জুনের বাড়িতে গিয়ে হানা দেয় মিশকা। সোনাকে ডেকে দরজা খুলে দিতে বলে সে। ভীষণ ভয় পেয়ে যায় সোনা। খুব কান্নাকাটি করতে শুরু করে সে। বাড়ি ফিরে এই সমস্ত ঘটনা প্রবীর এবং নিজের বাবার থেকে শুনে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে ওঠে দীপা। মিশকা নামের অন্ধকার আবার তার সন্তানদের ওপর ঘনিয়ে আস্তে চলেছে এটা ভেবেই অস্থির হয়ে যায় দীপা। কিন্তু এদিক দিয়ে সে নিশ্চিন্ত বাবা হিসেবে সূর্য না থাকলেও অর্জুন ঠিকই তার দুই সন্তানকে আগলে রাখবে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দীপার বাবা দীপাকে বলে, তারা তো সবকিছু জানে। কি হয়েছে আর কি হয়নি সেটা তাদের থেকে ভালো আর কেউ বুঝবে না। তারপরেও দীপা এত আড়ষ্ট ভাবে কেন রয়েছে। সে কেন অর্জুনের সাথে স্বাভাবিক ভাবে থাকতে পারছে না? তখন দীপা তার বাবাকে বলে, “ওই মিশকা মেয়েটা আমার জীবনের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আমাকে কোন দিক থেকেই আর অক্ষত রাখেনি। আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে আমার মেয়েকেও মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে। আমার মধ্যে আর কিছু নেই যেই জায়গায় আমি অর্জুন দাকে বসাবো।”
এদিকে ভিক্টরের তারা খেয়ে পাগলের মতন ছুটতে ছুটতে একটা গাড়ির সামনে এসে পড়ে তিস্তা। বিপদ বুঝে ভিক্টর উল্টো পথে পালিয়ে যায়। এরপর দেখা যায় তিস্তা যার গাড়ির সামনে এসে পড়েছিল সে হল অর্জুনের ড্রাইভার। সে তিস্তাকে সোজা অর্জুনের বাড়িতে নিয়ে আসে। এত রাতে তিস্তা এসেছে দেখে বেশ অবাক হয় দীপা। কিন্তু তিস্তা গোটা পরিস্থিতি সামলাতে তাকে বলে, সোনা রুপার সাথে দেখা করতে ইচ্ছে করছিল তার আর সেই জন্যই তিস্তা সেখানে এসেছে। যদিও দ্বিস্তার কথা তেমন বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না দীপার। তার সমস্ত বিষয়টা নিয়েই বেশ সন্দেহ হয়।
আরো পড়ুন: স্ত্রী নীলাঞ্জনাকে ডিভোর্স দিচ্ছেন অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত? ‘খাদান’ আসার আগেই জানালেন তিনি!
এরপর নিজের ঘাড়ের দাগ গুলো দেখতে থাকে তিস্তা। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে দীপা আর তিস্তাকে আবারো জিজ্ঞাসা করে যে এইসব কে করেছে? তা সবকিছু এড়িয়ে যায়। আসলে সে কোনভাবেই দীপার সামনে আসল সত্যি কথাটা বলে উঠতে পারে না। সে ঠিক করে একটা চিঠিতে দীপাকে সবটা জানাবে। সোনা রুপা যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন তিস্তা একটা চিঠি লেখে আর সেখানে তার সাথে হবার সমস্ত অন্যায় অত্যাচার তার সমস্ত করা ভুল সবই ওই চিঠিতে লিখে দেয়। অন্যদিকে পৃথা ভিক্টরকে বোঝায় তিস্তাকে যেভাবেই হোক বুঝিয়ে সুুঝিয়ে এই বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে হবে, ওখানে ফেলে রাখা যাবে না





