বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথায় (Kar kache koi moner kotha) বেশ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে ধারাবাহিকটির নায়িকা এবং তার ননদ পুতুলকে। নিজের স্বামীকে বাঁচাতে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছে পুতুল। তার অভিনয় দর্শকদের চোখে জল আনতে বাধ্য করছে।
অনেক কষ্ট করে অনেক ঝড় ঝাপটার সম্মুখীন হয়ে ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল তার ননদ এবং দিদি পুতুলকে তীর্থঙ্করের হাতে তুলে দিয়েছিল। বিয়ের পর এবারে বদলে গিয়েছিল পুতুলের জীবন। তার সমস্ত না পাওয়া, সমস্ত আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করছিল তীর্থঙ্কর। কিন্তু এত সুখ খুব বেশিদিন সহ্য এক গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হলো তীর্থঙ্কর।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পুতুলের স্বামী তীর্থঙ্ককের চিকিৎসা করার জন্য অনেক হলো টাকার প্রয়োজন। আর সেই টাকা যোগাড় করতে পুতুলকে একটা ভালো জায়গায় গান গাওয়ানোর ব্যবস্থা করে দেয় শিমুল। যদিও এই সবকিছু একেবারেই ভালোভাবে দেখে না মধুবালা কারণ তার মাথায় বিষ ঢোকাতে থাকে প্রতীক্ষা। কিন্তু তাও শিমুল হাল ছাড়েনি। চেষ্টা সে চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: মাকে নিজেদের অবস্থান বোঝাতে দারুন বুদ্ধি বার করলো রুপা! তার বুদ্ধিতে সূর্যের কাছে পৌঁছে গেল দীপা!
গান গেয়ে পুতুল যেটুকু টাকা পেয়েছে তাতে গোটা চিকিৎসা করানোটা সম্ভব নয়। টাকা জোগাড়ের জন্য উদগ্রীব পুতুল অসহায় হয়ে রাস্তায়, স্টেশনে আঁচল পেতে গান করে। কিন্তু তাতেও এত টাকা দেওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব। শিমুল যা লোন পাবে তাতেও সব টাকাটা জোগাড় করা যাবে না। তাই মধুবালার সাহায্য এখানে একান্ত কাম্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুতুলকে টাকা দেবে মধুবালা
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, হাসপাতে উপস্থিত হয়েছে সকলে। শিমুল, পুতুল, পরাগ, মধুবালা সবাই ডাক্তারের মুখের দিকে চেয়ে রয়েছে। ডাক্তার সবাইকে বলে, তীর্থঙ্করকে বাঁচাতে গেলে যে ব্যবস্থাটা নিতে হবে তার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। মধুবালা তখন জিজ্ঞেস করে, তাও কত টাকা লাগবে? ডাক্তারবাবু বলে, ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। টাকার পরিমাণটা শুনে চমকে যায় প্রত্যেকে।





