প্রকাশ্যে রুপার অ’ন্ধত্বের রহস্য! চোখে জল আনবে আজকের পর্ব!

স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa) ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্র হিসেবে নায়ক নায়িকা থাকলেও তার পাশাপাশি তাদের দুই সন্তান এখন গল্পের প্রাণ হয়ে উঠেছে। প্রায় আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে এই ধারাবাহিকটি টেলিভিশনের পর্দায় নিজের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। টিআরপিতে প্রথম পাঁচে না থাকলেও খুব একটা খারাপ অবস্থাতে নেই এই ধারাবাহিক। তবে এক সময় টানা টিআরপি টপার হতে দেখা গিয়েছে এই ধারাবাহিকটিকে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এখন বাবা-মা এবং দুই মেয়ে সবাই রয়েছে একটাই শহরে। কেমন অদ্ভুতভাবে একে অপরের অনেক কাছাকাছি রয়েছে সূর্য দীপা আর সোনা রুপা। হয়তো আরও অনেক আগেই দীপার সঙ্গে সূর্য দেখা হতে পারতো। কিন্তু সমস্যাটা হয়ে যায় অন্য জায়গায়। সো না যায় না তার মা-বাবার আবার মিল হোক। তাই সে নানা রকম ভাবে তার মাকে এবং তার বাবাকে সামনাসামনি আসতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে নিজেও নিজের মায়ের কাছে ধরা দিচ্ছে না।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 18 October, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৮ অক্টোবর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৯ অক্টোবর (Anurager Chowa Today Episode 19 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জয়কে রেস্টুরেন্টের সিকিউরিটি গার্ড টানতে টানতে বের করে দিচ্ছে এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে আসে দীপা। তাকে দেখা মাত্রই আনন্দে কেঁদে ফেলে জয়। সে দীপাকে তার সাথে ফিরে যেতে বলে। কিন্তু দীপা তাদের সাথে ফিরতে চায় না। সে বলে, তার কাছে আর কিচ্ছু নেই আর কেউ নেই। সে সবার থেকে আড়ালেই ভালো আছে। দীপার সিদ্ধান্তকে সম্মতি জানায় জয় তবে তার মন মানতে চায় না। সে যে তার দাদা আর সোনাকে দেখেছে সে কথা সে দীপাকে বলে না।

পাপাকে বাঁ’চাতে আজ দৃষ্টি হারিয়েছে রুপা

এদিকে রুপার কাছে চলে আসে তার পাপা। সেও রুপার সাথে সেই ক্যাম্পে যেতে চায়। রুপা তখন বলে যেহেতু পাপা তার গার্জেন নয় তাই তার ঢোকার অনুমতি নেই। কথাটা বলে রুপা ভাবতে থাকে, এতে হয়তো তার পাপার খারাপ লেগেছে। তাই সে পাপাকে জড়িয়ে ধরে বলে, সে তার কাছে নিজের বাবার চাইতেও অনেক বড়। কিন্তু এই সম্পর্কটা তাদের স্কুল অথরিটি বুঝবে না। পাপা তখন বলে, সে আলাদা জায়গায় থাকবে কিন্তু তাও তার সাথে যাবে।

রুপাকে কখনোই কাছ ছাড়া করতে চায় না পাপা। সে বলে, “যখন আমি একেবারে ডুবে গিয়েছিলাম তখন তুই আমার জীবনে এসেছিলি। আর আমরা দুজন দুজনকে নতুন জীবন দিয়েছি।” এখান থেকেই জানা যায়, তার গুরুজি রুপার দায়িত্ব দেয় তাকে। গুন্ডাদের হাত থেকে তাকে বাঁচাতে গিয়েই বিষাক্ত গ্যাসে রুপার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যায়। জয়ী নামটা রুপাকে দেয় তার পাপা। আর তখন থেকেই তাদের একসাথে পথ চলা শুরু। আর এখন পাপার প্রাণ হয়ে উঠেছে জয়ী অর্থাৎ রুপা।