বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে (Social Media) ফেসবুক (Facebook), ইউটিউব (Youtube), ইনস্টাগ্রাম (Instagram) এর জনপ্রিয়তা তো নতুন করে আর কিছুই বলার নেই। প্রত্যেক মানুষের হাতেই রয়েছে একটা করে স্মার্টফোন আর সেই স্মার্টফোনের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রত্যেকেই এক্টিভ। ৮ থেকে ৮০ এখন যে কাউকে পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। আর এই বর্তমান প্রজন্মে ইনফ্লুয়েন্সের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
অসংখ্য ছেলেমেয়ে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে নয় মজার মজার ভিডিও বানাচ্ছে আর নয়তো বিউটি কনটেন্ট বানাচ্ছে। আর তা থেকেই পাচ্ছে জনপ্রিয়তা এবং পাশাপাশি ইনকামের পথ হিসেবেও বেছে নিয়েছে অনেকে। সেরকমই একজন জনপ্রিয় ইউটিউবারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায়। এভাবে অকালে সকলের মাঝখান থেকে চলে যাবেন জনপ্রিয় ইউটিউবার তা কেউই ভাবতে পারেনি।
সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রায় ৩ লক্ষেরও বেশি অনুরাগী ছিল তার। তাঁর অকাল মৃত্যুর খবরটি অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা হয়। ভক্তরা প্রথমে বিশ্বাসই করেননি। সকলেই ভেবেছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার যেমন সব সময় সবাইকে হাসায় সবার সাথে প্রেম করে এবারও সে রকম কিছু হচ্ছে কিন্তু কেউ কল্পনাও করতে পারিনি এই ঘটনা বাস্তবে আসলেই ঘটেছে।

২৫ এপ্রিল তাঁর মৃত্যুর খবর সকলকে হতবাক করে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত, তার বাবা-মা বা পরিবারের কোনও সদস্য তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি, যা তার ভক্তদের মধ্যে আরও বিভ্রান্তি এবং দুঃখের সৃষ্টি করেছে। পোস্টটি দেখার কিছুক্ষণ পরেই নেটিজেনরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘অ’ন্তর্বাস পরা নিয়ে সকলের সামনে যা নয় তাই বলেছিলেন!’- কাঠগড়ায় সন্ধ্যা রায়! ঘটনার বহু বছর পর বিস্ফোরক অনামিকা সাহা!
জনপ্রিয় সেই ইউটিউবার হলো মিশা আগারওয়াল। গত ২৫ এপ্রিল মিশা আগরওয়ালের যে অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজ আছে সেখানেই ঘোষণা করা হয় যে মিশা আর নেই। তাঁর পরিবারের তরফে সেই কথা ঘোষণা করা হয়। জানানো হয় জন্মদিনের মাত্র ২ দিন আগেই মেয়েটি চলে গেছে না ফেরার দেশে। এদিন মিশার ইনস্টাগ্রামে যে ছবিটি পোস্ট করা হয় সেখানে লেখা হয়, ‘অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা মিশা আগরওয়ালের প্রয়াণের খবর সকলকে জানাচ্ছি। আপনারা সবাই যেভাবে ওর কাজকে, ওকে ভালোবাসা দিয়েছেন তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা এই অপূরণীয় ক্ষতির সঙ্গে এখনও মানিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। ওকে আপনারা আপনাদের ভাবনায় রাখবেন। আমাদের এই ক্ষতি অপূরণীয়। কোনও ভাষা নেই। সবাই ভালো থাকবেন।’





