তানিয়া মিত্তল, বর্তমানে ‘বিগ বস ১৯’-এর প্রতিযোগী, আবারও নেটপাড়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এবার কারণ তাঁর এক পুরনো সাক্ষাৎকার। সেই সাক্ষাৎকারে তানিয়া খোলাখুলি নিজের অতীত অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত মানসিক লড়াই নিয়ে কথা বলেছিলেন। আর সেখানেই উঠে এসেছে এমন কিছু মন্তব্য, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক এবং ট্রোলিং।
রজত গুপ্তর এক পডকাস্টে তানিয়া জানান, কলেজ জীবনে তিনি ভীষণ খারাপ মানসিক অবস্থার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। পরিবার তাঁকে পড়াশোনার জন্য পাঠালেও সেই সময়ে জীবন শেষ করে দেওয়ার মতো চরম সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত পরিবারকেই ফোন করে অনুরোধ করেছিলেন তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। সেই সময়টা তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলির একটি ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
তানিয়ার কথায়, তিনি কখনওই সেই সাধারণ জীবনের ছকবদ্ধ ধারা মেনে চলতে চাননি, যেখানে পড়াশোনা, বিয়ে আর সন্তান জন্ম দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তাঁর স্বপ্ন ছিল বড় কিছু করা, মানুষের জন্য কাজ করা এবং নিজেকে প্রমাণ করা।
নিজের প্রতিভা নিয়ে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। সেই সাক্ষাৎকারে তানিয়া বলেন, “অনেকে আমায় পাগল বলত, কিন্তু আমি জানতাম আমার ভেতরে অন্যরকম শক্তি আছে।” এখানেই এসে তিনি বলেন, অনেকেই তাঁকে ঐশ্বর্যা রাইয়ের মতো সুন্দরী বলে তুলনা করেছেন। যদিও তাঁর মতে, শুধুমাত্র সুন্দর হওয়া কোনও প্রতিভা নয়।
তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাঁর আত্মবিশ্বাসের প্রশংসা করছেন, আবার অনেকেই কটাক্ষ করছেন ঐশ্বর্যা রাইয়ের সঙ্গে তুলনা টেনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকম মিম, কটূক্তি আর সমালোচনায় তাঁকে ঘিরে চর্চা চলছে।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় আটকে গেল ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’, রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন প্রযোজক পল্লবী যোশী
তবে একটা জিনিস স্পষ্ট, ‘বিগ বস ১৯’-এ অংশগ্রহণ করার পর তানিয়া মিত্তলকে নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে। তাঁর অতীত জীবনের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি দর্শকদের মনে কৌতূহল তৈরি করেছে, এবং নিন্দা-প্রশংসার মধ্যেই তিনি এখন আলোচনার অন্যতম মুখ।





