দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy) যিনি কিনা সর্বাধিক পরিচিত রানী রাসমণি রূপে। এক সময়ের অন্যতম হিট সিরিয়ালের মধ্যে একটি ছিল রানী রাসমণি। অভিনয় জগতে যাত্রা ছোটবেলায় সিরিয়াল দিয়ে শুরু হলো পরবর্তীকালে সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করার সুযোগ পান। এই মুহূর্তে একই সাথে দুই পর্যায়ে আসতে চলেছে তাঁর কাজ।
ছোট পর্দায় বিগত অনেক বছর পর আবারও দেখা যেতেই চলেছে জি বাংলা আসন্ন তোমাকে ভালোবাসি সিরিয়ালের মাধ্যমে। একই সঙ্গে এই মাসে বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে তার সিনেমা, নাম ‘পাটালিগঞ্জের পুতুল খেলা’। আর এই সিনেমাকে কেন্দ্র করেই অভিনেত্রীকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে। এই সিনেমার গল্পের বিষয়বস্তু নিয়ে জানতে চেয়ে দিতিপ্রিয়া বলেন এখানে এক হাসিখুশি বিবাহিত মহিলার চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।

অভিনয় জীবনের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের নানা ওঠা পড়ার মধ্যে দিয়ে অভিনয় চালিয়ে গেছেন দিতিপ্রিয়া। প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করার ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক পরিবর্তনও তার চোখে ধরা পড়েছে। এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে থেকেও আর মনে হয় রোজ চিনি নতুন রূপে ইন্ডাস্ট্রিকে চিনছেন। জেন জি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, “আমি ভীষণ ওল্ড স্কুল”। দিতিপ্রিয়ার প্রেম প্রেম পর্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলল কাজ থেকে শুরু করে পড়াশুনা এবং প্রেম সবকিছুই ভালো চলছে।
অভিনেত্রী মতে, “কোনো জিনিসকে যদি তুমি ভালো মনে চাও এবং প্রেম যদি খুব শান্তিদায়ক হয় তাহলে ডিসট্রাকশন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না”। এমন কি দিতিপ্রিয়া বলেন প্রেম খুবই স্বাস্থ্যকর। ছোট পর্দা এবং বড় পর্দার কাজের মেলবন্ধন ঠিক শিল্পী দিতিপ্রিয়ার কাছে কতটা চ্যালেঞ্জিং জিজ্ঞাসা করাতে বলে উঠলেন, “ছোটবেলা থেকে মেলবন্ধন জিনিসটা আমি খুব শুনে বড় হয়েছি, করে বড় হয়েছি, দেখে বড় হয়েছি” অর্থাৎ ইতিপূরে বলতে চাইল এতদিন সবকিছু যখন সামলে কাজ করে এসেছে আগামী দিনেও তিনি পারবেন বলেই মনে করেন।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতাকে রিলের চরিত্রে ফুটিয়ে তোলার জন্য তাঁর বাড়ির পরিবেশ তাঁকে অনেকটা সাহায্য করে, বললেন রাসমণি ওরফে দিতিপ্রিয়া। নিজের বাড়ির পরিবেশ বলতেই তিনি বললেন, “এখনো বাড়িতে গিয়ে মায়ের হাতে হাতে কাজ করা, ঘর পরিষ্কার করা, আমি বাড়িতে ঢুকলে একদম অন্য একটা মানুষ”। অভিনেত্রী আরো বলেন, সবার জীবনে ডিফিকাল্টিস থাকে, নিজের টাকে কখনো বড় করে দেখা উচিত নয়”। এই মন্তব্য শুনে তার অনেক অনুরাগীরাই সমাজ মাধ্যমে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘বিয়ের পর ক্যারিয়ার শেষ, মা হওয়ার পর জুটবে পার্শ্ব চরিত্র!’- কাজের মাধ্যমে কটাক্ষের জবাব দিলেন পায়েল!
আগামী পাঁচ বছরে নিজেকে কোথায় দেখতে চায় জিজ্ঞাসা করলে দিতিপ্রিয়া বলে, “আমি খুব ভালো মানুষ হতে চাই খুব সুন্দর একটা সাধারণ জীবন যাপন করতে চাই”। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রফেসর কিংবা গবেষক হওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করলেন তিনি। সবশেষে বাংলার দর্শকদের আসন্ন সিনেমার জন্য একটি বার্তা দিলেন, ছবিটা দেখলে হাসি পাবে মজা হবে, অফুরন্ত আনন্দ পাওয়ার অন্যতম সূত্র হতে পারে ‘পাটালিগঞ্জের পুতুল খেলা’।





