কথা অগ্নিভর খুনসুটি ভরা সম্পর্ক নিয়ে স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘কথা’ (Kotha) ধারাবাহিক। দীর্ঘ এক বছর ধরে এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে টিভির পর্দায়। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী সুস্মিতা দে (Sushmita Dey) এবং অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্যকে (Saheb Bhattacharya)। ধারাবাহিকে কথা অগ্নিভর জুটি দর্শকদের বেশ পছন্দের সেটা বোঝাই যায়। ধারাবাহিকটি প্রতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকাতেই বেশ ভালো ফলাফল করে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছিল দুর্গাপূজা শুরু হয়ে গিয়েছে গুহ বাড়িতে। সেই পুজোর আয়োজন এই ব্যস্ত বাড়ির প্রত্যেকে। কিন্তু হঠাৎই পুজোর দিন বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় অগ্নিভর মা। কথাই নিয়ে আসে তাকে গুহ বাড়িতে। আসলে কথা জানতো না যে মহিলাকে কথা উদ্ধার করেছে সেই মহিলাই অগ্নিভ এর মা। তাই অজান্তেই অগ্নিভ এর মাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছে সে। কিন্তু অগ্নিপভর মায়ের কিছুই মনে নেই। তাই তিনি কিছু মনে করতে পারছেন না।

কথা আজকের পর্ব ১৪ অক্টোবর (kotha Today Episode 14 October)
ধারাবাহিকে আজকে দেখানো হবে অগ্নিভর মা যেদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল সেদিন তার বাবা চুপ করে দাঁড়িয়েছিল, কিছু প্রতিবাদ করেনি। আর আজ যখন অগ্নিভর মা বাড়িতে ফিরে এসেছে আর তাকে সঞ্চিতা হিসেবে মানতে চাইছে না। চিত্রা তাকে বাড়ির সকলের সামনেই অপমান করছে অবহেলা করছে কিন্তু এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে অগ্নিভ কিন্তু এবারেও অগ্নিভর বাবা চুপ করে দাঁড়িয়ে এসবটা দেখে আর তাতে বাবার উপর রেগে গিয়ে বাবার কাছে বারবার উত্তর চায় অগ্নিভ। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে বারবার ধাক্কাতে থাকে এবং নিজের বাবাকে রাগের মাথায় যা নয় তাই বলে ফেলে।
অগ্নিভর বাবা ভেতর থেকে সমস্ত কিছু শুনছিল আর মনে মনে ভাবছিল সারাজীবন সে তার বাবাকে ভুল বুঝে গেল একটু বোঝার চেষ্টা করল না। এরপরে অগ্নিভ দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে, কথা এবং অগ্নিভর ছোট কাকা সবাই অনেকবার অগ্নিভকে আটকানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। ঘরে ঢুকে আবারো নিজের বাবার উপরে চোটপাট শুরু করে অগ্নিভ। এত বছর ধরে সে নিজের বাবার থেকেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। কখনো তার বাবাকে বাবা বলে ডাকেনি। কেন নিজের বাবাকে একটু বোঝার চেষ্টা করে নি সে কথা জানতে চায় তার বাবা। কিন্তু অগ্নিভর কাছে কোন উত্তর থাকে না। এরপরে তার বাবা কষ্টে দুঃখে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: নতুন বি’পদের মুখোমুখি সুধা, ঠাম্মির চালে ভে’ঙে গেল সুধা তেজের সংসার!
অন্যদিকে চিত্রা তো ভালোমতোই বুঝতে পারে যে ওই মহিলাটি সঞ্চিতা। কিন্তু তার করা কুকীর্তির কথা সঞ্চিতার যদি একবার মনে পড়ে যায় তাহলে তো তার এই বাড়িতে থাকা দুষ্কর হয়ে যাবে। সেই ভয়ে সে কিছুতেই ওই মহিলাকে সঞ্চিতা হয়ে ফিরে আসতে দেবে না। তাই মনে মনে ঠিক করে ওই মহিলাটিকে যে করে হোক এই বাড়ি থেকে বের করে দিতেই হবে। এবারে দেখার অপেক্ষা কথা এবং অগ্নিভ মিলে কিভাবে মায়ের সমস্ত স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।





