ছিপ ফেলতেই রুপার ছিপে মায়ের শাড়ি! এ কোন নতুন ঝড় নেমে এলো রুপার জীবনে?

বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় চ্যানেল স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় বর্তমানে সব থেকে পুরনো ধারাবাহিকটি হচ্ছে অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa)। এটি একমাত্র ধারাবাহিক যেটি আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে টেলিভিশনের পর্দায় নিজের সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই ৮০০ তম পর্ব সম্পন্ন করেছে এই ধারাবাহিকটি। বর্তমানে বেশ কষ্টে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা নায়ক সূর্য এবং তাদের দুই মেয়ে সোনা এবং রুপা। একে অপরের থেকে ছিটকে গেছে তারা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, রুপা বর্তমানে এক জেলে বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছে। ফনি ভূষণ ওরফে ফান্টুস তার ছেলে এবং আরো এক মহিলা প্রত্যেকে রুপার অনেক আদর যত্ন করছে। এক পরিবার থেকে বেরিয়ে আবার এক নতুন পরিবারে নিজের জায়গা তৈরি করে ফেলেছে রুপা। একটু একটু করে তাদের সাথে মিলে মিশে যাচ্ছে এই ছোট্ট মেয়েটা। নিজের বাবার প্রতি একরাশ অভিমান নিজের মনের মধ্যে জমা করে রেখেছে সে। তাই কোনভাবেই আর বাবার কাছে ফিরতে চায় না রুপা।

Anurager Chowa, Bengali serial, Bengali television, Star Jalsha, অনুরাগের ছোঁয়া, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা সিরিয়াল, স্টার জলসা

রুপা, বায়না ধরে সে জাল ফেলে মাছ ধরা শিখবে। ফান্টুস তাকে বোঝায়, প্রথমে ছিপ দিয়ে মাছ ধরা শিখতে হবে তারপর জাল ফেলে মাছ ধরা যাবে। রুপা তাতেই রাজি হয়ে যায় আর ছিপ দিয়ে মাছ কিভাবে ধরে সেটা শেখার জন্য উদাত্ত হয়। তাড়াতাড়ি করে রুপা এবং ওই ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটার জন্য একটা ছিপ নিয়ে আসা হয়। তারা দুজন মিলেই ছিপ ফেলে মহা সুখে মাছের অপেক্ষা করতে থাকে। প্রথমবার ছিপ তুলতেই দেখা যায় মাছ টোপ গিলে পালিয়ে গিয়েছে। মাছ আর ওঠেনি।

ছিপে উঠে এলো মায়ের শাড়ি

এরপর আরো একবার ছিপ ফেলে রুপা। আবারো অধীর আগ্রহে তারা অপেক্ষা করে বসে থাকে কখন ছিপে টান পড়বে আর একটা মাছ উঠে আসবে। ছিপটা তুলতেই রুপা দেখতে পায় তাতে একটা শাড়ির টুকরো আটকে গিয়েছে। নিজের কাছে নিয়ে এসে রুপা বুঝতে পারে এটা তার মায়ের শাড়ির টুকরো। এটাই তার মাসের দিন পরেছিল। কিছুক্ষণের জন্য ভীষণ ভয় পেয়ে যায় সে। তাহলে কি সত্যি করেই তার মা আর এই জগতে নেই? ফান্টুস তাড়াতাড়ি করে জলে ঝাঁপ মেরে জলের নিচটা ভালো করে খুঁজে আসে কিন্তু কোথাও কিছু পাওয়া যায় না।

এরপর ওই গ্রামেই সূর্য সবার চেকাপ করতে আসে। রুপা সূর্যকে দেখেই চিনতে পেরে যায়। সে আর সূর্যের সামনে কোনভাবেই যেতে চায় না। এদিকে সূর্য রুপার নামটা খাতায় দেখে অস্থির হয়ে ওঠে। রুপা বারবার অনুরোধ করায় ফান্টুস রুপাকে নিজের মেয়ে বলে পরিচয় দেয়। সূর্য বুঝতে পারে তার কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। এরপর সে যখন জানতে পারে ওই রুপাও ডাক্তার হতে চায় তখন নিজের স্টেথোস্কোপটা রুপার উদ্দেশ্যে দিয়ে দেয়।