দীপার গলা শুনতেই চমকে গেল সূর্য! রেস্টুরেন্টে এসে একি কান্ড ঘটালো সোনা!

মানুষ মাঝেমধ্যে এত বেশি স্বার্থপর হয়ে ওঠে যে তাদের কাছে নিজেদের ভালো মন্দ ছাড়া আর কোন কিছুই চোখে পড়ে না। রক্তের সম্পর্ক কেউ তারা এক নিমেষে অস্বীকার করতে পারে। সামনে থাকা মানুষটা যদি নিজের মাও হয় তারপরেও তাদের মনে এতটুকু মায়া দয়া সৃষ্টি হয় না। স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার মেয়ে সোনা বর্তমানে ঠিক এইরকমই একজন মানুষ হয়ে উঠেছে।

আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে টেলিভিশনের পর্দায় বহাল তবিয়তে নিজেদের সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকটি। বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বহু বছর পর মুখোমুখি হয়েছে সোনা আর দীপা। দীপা ঠিক নিজের মেয়েকে চিনতে পেরেছে। সোনা নিজেকে দীপার মেয়ে বলে স্বীকার করেনি। সে চায় না তার মা জানুক সেই সোনা। যদিও মায়ের চোখকে কি লুকিয়ে কিছু করা যায়? দীপা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছে তার মেয়ে আশেপাশেই আছে।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Telivision, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode 4 October, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৫ অক্টোবর (Anurager Chowa Today Episode 5 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দীপা ঠিক সময় সুযোগ বুঝে নিজের যাওয়ার কথাটা স্যারের মায়ের সামনেই বলে। স্যার তাতে আপত্তি জানালেও তার মা দীপার হাতের রসগোল্লা খেয়ে মুগ্ধ হয়ে যায় আর দীপাকে যাওয়ার অনুমতি দিয়ে দেয়। আর মায়ের কাছে যেহেতু স্যারের কোন কথাই চলে না তাই দীপা, নিশ্চিন্তে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এভাবে অনুমতি পেয়ে যাবে সে ভাবতে পারেনি।

দীপার গলা শুনে অবাক সূর্য

এর মাঝেই চারু ফোন করে দীপাকে। ফোনটা ধরে থাকে সূর্য। প্রচন্ড ঠান্ডা লাগায় বেশ হাঁচি কাশি ইত্যাদি হতে থাকে দীপার। তার ওই গলা নিয়েই সে চারু সাথে কথা বলে। চারু যখন জানতে পারে দীপা আসছে তখন সে খুব খুশি হয়ে যায়। কিন্তু দীপার গলা শুনে একেবারে চমকে যায় সূর্য। সে খুব ভালো করে বুঝতে পারে এই গলা চিনতে তার ভুল হবে না। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ে সেই রেস্টুরেন্টে যাওয়ার জন্য যে রেস্টুরেন্টে এই মহিলা কাজ করেন।

অন্যদিকে সোনা রেস্টুরেন্টে এসে দীপাকে আড়াল থেকে দেখতে থাকে। দীপা সোনাকে দেখে আবারও নিজের মেয়ে ভেবে সোনা বলে ডেকে ওঠে। কিন্তু সোনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় সে তার মেয়ে নয়। তার মা-বাবা আছে আর বাড়িতে আছে। সেখানে এসে সে দীপার সঙ্গে আবার খুব বাজে ব্যবহার করে। দীপাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে দীপার মতন একটা মানুষ তার মা হতে পারে না। দীপা আবারও দ্বিধায় পড়ে যায়। এরপর সোনা সেখান থেকে চলে যায়।