নতুন ধারাবাহিক পরশুরাম-এর একটি পর্ব নস্টালজিয়ার জোয়ারে ভাসাল দর্শকদের। সম্প্রতি স্টার জলসার এই ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে এক অনবদ্য মুহূর্ত—মা তটিনী তার দুই সন্তান লাট্টু ও পিকুর সঙ্গে খেলছে শৈশবের জনপ্রিয় খেলা এক্কাদোক্কা। এই দৃশ্য দেখে আবেগে ভাসছেন দর্শকরা, মনে পড়ছে নিজেদের ছোটবেলার কথা।
তৃণা সাহা ও ইন্দ্রজিৎ বসু অভিনীত পরশুরাম শুরু হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে দর্শকদের মনে। বিশেষত ইন্দ্রজিৎ বসুর দীর্ঘ বিরতির পর এই ধারাবাহিকে প্রত্যাবর্তন দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকেই এখনও তাকে মনে রেখেছেন জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘রাশি’ থেকে।
বর্তমানে টিআরপি তালিকার শীর্ষে থাকা পরশুরাম একাধিকবার হয়েছে ‘বেঙ্গল টপার’। ধারাবাহিকের গল্পের স্বাতন্ত্র্য, চরিত্রগুলির আন্তরিকতা ও পারিবারিক আবহ দর্শকদের কাছে এই ধারাবাহিককে আলাদা করে তুলেছে। তটিনী, শিবপ্রসাদ এবং তাদের দুই সন্তান নিয়ে সাজানো ছোট্ট সংসারে ছায়ার মতো নেমে এসেছে কর্ণ চট্টোপাধ্যায়ের ষড়যন্ত্র। আর এই পরিবারের রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভাব ঘটেছে পরশুরামের, যাকে শুধুমাত্র চেনে লাট্টু। অথচ পরিবারের অন্য সদস্যরা জানেই না তার আসল পরিচয়।
গত পর্বে মা-সন্তানের একসঙ্গে এক্কাদোক্কা খেলার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। অনেকেই জানিয়েছেন, এই দৃশ্য তাদের শৈশবের দিনগুলো মনে করিয়ে দিয়েছে। এক নেটিজেন লিখেছেন, “আজ পর্যন্ত কোনো সিরিয়ালে এমন দৃশ্য দেখেছি বলে মনে পড়ে না। মা যখন সন্তানদের সঙ্গে এক্কাদোক্কা খেলছে, তখন যেন আমি নিজের ছোটবেলা ফিরে পেলাম। আজকাল বাচ্চাদের মোবাইল থেকে দূরে রাখতে যে এই রকম খেলার দরকার, সেটা দারুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।”
এই পোস্টের নিচে অনেকেই মন্তব্য করেছেন—কারোর মতে, পরশুরাম এখন তাদের প্রিয় ধারাবাহিক। কেউ লিখেছেন, “এই ধারাবাহিকের শিশুরা অন্য সিরিয়ালের মতো কৃত্রিম নয়, বরং একেবারে স্বাভাবিকভাবে অভিনয় করছে, যেন নিজের সন্তানদের সঙ্গেই মা খেলছে।” আবার কেউ লিখেছেন, “হুমকির ফোন রেকর্ড করার কথা কেউ ভাবছে না—এটাই শুধু একটু খটকা লাগে, তবুও সিরিয়ালটা একেবারে পারিবারিক ও সুন্দর।”
আরও পড়ুনঃ ‘আমার আগের প্রেমিক আমাদের বাচ্চার নামও ঠিক করে রেখেছিল!’ শ্রুতির আগের প্রেমিক কে জানেন? বাচ্চার নামই বা কি ছিল?
সব মিলিয়ে, মা-সন্তানের বন্ধনের এমন নিখাদ উপস্থাপন পরশুরাম-কে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। গল্প, অভিনয় ও আবেগ—সব মিলিয়ে ধারাবাহিকটি হয়ে উঠছে দর্শকদের হৃদয়ের খুব কাছের।





