চিরো অভাগিনী স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। সে কখনও সেভাবে কারো সাহায্য পায়নি। তবুও নিজের চেষ্টায় এবং মনের জোরে অনেক কিছু করে দেখিয়েছে। এখনো সেটাই চেষ্টা করে চলেছে। কিন্তু তার ভালো চেয়ে তাকে সাহস যোগানোর মানুষের বড় অভাব। এই মুহূর্তে অর্জুনের সাথে দীপার বিয়ে নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা ঠিক করেছে সে নিজের বিয়ের সমস্ত খরচ নিজেই বহন করবে। কিন্তু তার প্রতি সেনগুপ্ত বাড়ির কিছু মানুষের এতটাই ঘৃণা যে, তারা দীপাকে চেষ্টা টুকুও করতে দিতে চায় না। দীপার সমস্ত কাজ নষ্ট করে দেয় কাকীয়া আর জয়। নিজের স্ত্রীর কাজ কারবার দেখে প্রতীক বলে, সে নাকি মিশকার মতন হয়ে যাচ্ছে। ঝামেলা অশান্তি না বাড়িয়ে দীপা তার মেয়েদের নিয়ে সেনগুপ্ত বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কাকীয়া চলে আসে দীপার বাড়ি। সেখানে এসে সে জোরে জোরে সংখ্য বাজাতে থাকে। যখন পাড়ার সবাই সেখানে জড়ো হয়ে যায় তখন সে তার কথা গুলো বলা শুরু করে। কাকীয়া বলে, “এই মেয়েটা সব কিছু শেষ করে দিয়েছে। সব নষ্ট করে দিয়েছে। একটা গোটা হাসিখুশি পরিবার ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের বাড়ির দুটো ছেলের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। আর এখন নির্লজ্জের মতন ধুমধাম করে বিয়ে করবে বলে টাকা জোগাড় করতে উঠে পড়ে লেগেছে।” দীপা বারবার কাকীয়াকে বলে, ঘরে সোনা রূপা ঘুমোচ্ছে। ওরা জেগে যাবে। কিন্তু কাকীয়া নিজের মান হুস সব হারিয়ে ফেলে অমানুষের মতন আচরণ করতে থাকে।
অন্যদিকে খোকা মিষ্টি নিয়ে আসে অর্জুনের জন্য। সেটা দেখে পৃথার গা জ্বলে যায়। সে দুটো কথা বলতে গেলেই খোকা বলে, “নিজের ভালো চাইলে শুধরে যাও, আমি যদি মুখ খুলি তাহলে তোমার আর এখানে থাকা হবে না।” এরপর সেখানে চলে আসে অর্জুন। তারা কথা বার্তা করলে থাকে ঠিক এমন সময় তাকে ফোন করে তিস্তা। সে অর্জুনকে বলে ঠিক কি কি ঘটে গিয়েছে আর কি কি ঘটাচ্ছে তার মা। অর্জুন তাড়াতাড়ি দীপার কাছে ছুটে যায়। তখন কাকীয়া এমন কিছু আচরণ করে যার ফলে প্রতীক তাকে চড় অবধি মারতে যায়। এরপর কাকীয়া দীপাকে বলে, সে কোনো দিনও সুখী হতে পারবে না আর এটা একটা মায়ের অভিশাপ। এই কথা গুলো দীপা মেনে নিতে পারে না। তার মনে অশান্তির সৃষ্টি হয়।
আরো পড়ুন: গুরু’তর অ’সুস্থ কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়! অ’সুস্থ’তার কারণে স’রে গেলেন ধারাবাহিক থেকে!
পরের দিন সকাল হতেই দীপা নিজের কাজ কর্ম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়। তখন সেখানে চলে আছে কাকাই আর অর্জুন। তারা সোনা রুপাকে স্কুলে নিয়ে যেতে চায়। সবাই বলে অর্জুনের দীপার সাথে যাওয়া উচিত। কিন্তু দীপা তাতে রাজি নয়। সে একাই এই লড়াই লড়তে চায়। অন্যদিকে পৃথা একটা লোককে কিছু টাকা দিয়ে বলে, “দীপা যেনো কোনো ভাবেই সময় ওখানে পৌঁছতে না পারে। ওকে যেভাবেই হোক আটকাবে। এই ভাবেই আমি ওদের বিয়েটা আটকে দেবো।”





