পরীক্ষা দিতে এসে মহা বিপদে দীপা! পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে তো নায়িকা?

আর কোনো ছদ্মবেশ নয়, আর কোনো নকল চুল বা নকল পোশাক নয়, এবার সত্যি করেই ডাক্তারির ছাত্রী হয়ে সূর্যের কাছাকাছি আসবে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। শুধুমাত্র নিজের ডাক্তার বাবুকে ফিরে পেতে এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। জমে উঠেছে এই ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সূর্য যখন নিজের মা আর বাবাকে চিনতে পেরে যায় তখন সবাই ভেবেছিল সূর্যর হয়তো সব কিছু মনে পড়ে গেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ কথা বলার পর আর দীপাকে চিনতে অস্বীকার করার পর বোঝা যায় যে, তার স্মৃতি একটা সময় অবধি এসে থমকে গেছে। সেই সমস্ত পুরোনো স্মৃতিকে আবার ফিরিয়ে আনতে নতুন করে সূর্যর মনে অনুরাগের ছোঁয়া দিতে অনেক বড় সিদ্বান্ত নিয়েছে দীপা।

Anurager Chowa, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 22 July, Bengali serial, Bengali television, Star Jalsha, অনুরাগের ছোঁয়া, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৫ মে, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা সিরিয়াল, স্টার জলসা

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২২ জুলাই (Anurager Chowa Today Episode 22 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মন দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে দীপা। লাবণ্য দীপার পড়াশোনার জন্য দুইজন শিক্ষককে নিয়ে এসেছে। পড়াশোনা করতে করতেও নানা ভাবে অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছে দীপা। কারণ তার মাথায় সোনা রুপা দ্বীপ এরা ঠিকভাবে খেলো কিনা ঘুমোলো কিনা এই সব কিছুই চলছে। তারপরেও লাবণ্যর কথায় এবং ডাক্তার বাবুর পাশাপাশি থাকার ইচ্ছায় দীপা আবারো মন দিয়ে পড়তে বসে।

দেখতে দেখতে চলে আসে পরীক্ষার দিন। এই দিন দীপা এবং সূর্য দুজনেই পরীক্ষা দিতে পৌঁছে যায় গন্তব্যে। সেখানে মুখোমুখি ধাক্কা লেগে দীপার হাত থেকে সমস্ত কাগজপত্র পড়ে যায়। সূর্য তাকে সাহায্য করে সেই সবকিছু তুলে দিতে। সেই সময় সূর্য দীপার চোখ থেকে চোখ সরাতে পারে না। তার মনে হয় এই চোখ যেন তার খুব চেনা। কিন্তু কোথায় দেখেছে সেটা মনে করে উঠতে পারে না। এই সমস্ত কিছু দূর থেকে দাঁড়িয়ে লক্ষ্য করে জয়।

আরও পড়ুন: তলানিতে ঠেকেছে টিআরপি! শেষ দিনের শুটিং করল স্টার এই মেগা সিরিয়াল

প্রশ্ন পেতেই সব ভুলে গেলো দীপা

এদিকে সোনার ভীষণ জ্বর আসে। সেই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে উর্মি আর রুপা। কিভাবে সোনাকে সুস্থ করা যায় সেই নিয়েই ভাবনা চিন্তা করতে থাকে তারা। লাবণ্য এসে বুঝতে পারে নিজের বাবা মায়ের জন্য মন কেমন করছে সোনার। অন্যদিকে পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র হাতে নিয়ে ভয় পেয়ে যায় দীপা। কারণ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর সে ভুলে গিয়েছে। এদিকে সূর্য খুব মন দিয়ে পরীক্ষা দিতে থাকে। দীপা মনে মনে ভাবে, সে আদৌ পারবে তো এই পরীক্ষায় পাশ করতে?