চিত্রার কানে বেজে উঠলো ম’রণ ঘন্টা! কি এমন গোপন কথা গোবর দেবিকে জানিয়ে দিল তিলক?

চলতি সপ্তাহের বেঙ্গল টপার ধারাবাহিক কথা (Kothha)। স্টার জলসার (Star Jalsha) এই ধারাবাহিকটি প্রথম থেকেই জায়গা করে নিয়েছিল দর্শকদের মনে। ধারাবাহিকে অগ্নিভর চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য (Saheb Bhattacharya)। সেই সঙ্গে ধারাবাহিকে কথার ভূমিকায় দুর্দান্ত অভিনয় করে বাংলার গৃহিণীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী সুস্মিতা দে (Susmita Dey)। তবে যত দিন এগোচ্ছে ততই যেন বাড়ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা। একের পর এক নতুন নতুন চমক আসছে ধারাবাহিকে।

বর্তমানে গোপালের বাঁশি চু’রি নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। গোপালের বাঁশি চুরি করেছে তিলক। আর তাতে এইসব কাজে প্রতি নিয়ত সাহায্য করে চলেছেন চিত্রা গুহ। গুহ বাড়ির সম্পত্তি দখল করতে একের পর এক কারসাজি করে চলছেন তিনি। গোপালের বাঁশির মধ্যেই লুকোনো মা আনন্দীর কিরীটের পাথর আর সেটাই এবার চুরি করার চেষ্টা করেছিল তিলক। কিন্তু হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় সে।

Bengali serial, Bengali television, Kothha, Kothha Today Episode, Kothha Today Episode 2 September, Saheb Bhattacharya, Star Jalsha, Susmita Dey, কথা, কথা আজকের পর্ব, কথা আজকের পর্ব ২ সেপ্টেম্বর, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা ধারাবাহিক, সাহেব ভট্টাচার্য, সুস্মিতা দে, স্টার জলসা

কথা আজকের পর্ব ২ সেপ্টেম্বর (Kothha Today Episode 2 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা গেছে তিলককে গ্রেফতার করেছে প্রত্যয়। তার নিজেকে বাঁচাতে এবার প্রান্তিকের দ্বারস্থ হয়েছেন চিত্রা গুহ। চিত্রার কথায় নিজের লোক পাঠিয়ে তিলককে মেরে ফেলার প্ল্যান করে প্রান্তিক। থানায় পৌঁছে যায় প্রান্তিকের পাঠানো গুন্ডা। এদিকে পুলিশের চাপে পরে সবটা বলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তিলক। কিন্তু তখনই প্রান্তিকের পাঠানো গুন্ডা এসে ইনজেকশন দিয়ে দেয় তিলককে।

সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তিলক। সেই ব্যক্তি প্রান্তিককে জানিয়ে দেয় কাজ হয়ে গেছে। তবে সেই ব্যক্তিকে যেতে দেখে নেয় কথা। তড়িঘড়ি তিলককে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে প্রত্যয়। অন্যদিকে সুখবর শুনেই চিত্রাকে জানিয়ে দেয় প্রান্তিক। ম্যান্ডি বলে এটা দিয়েই যদি কথাকে শেষ করা যেত তাহলেই সমস্যা হত না। কিন্তু তখনই বাঁশির ব্যাপারে চিত্রাকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে প্রান্তিক। সে চিত্রাকে হুমকি দিয়ে বলে তিনি যদি সত্যিটা না বলেন তাহলে চিত্রার নামটা সবাইকে জানিয়ে দেবে প্রান্তিক।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেখান থেকে চলে যান চিত্রা। এরপরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন তিনি হাসপাতালে গিয়ে দেখে আসবেন তিলককে। এদিকে তিলককে দেখে ডাক্তার জানান তিলক প্যারালাইন্ড হয়ে গেছে। যা শুনেই চমকে যায় কথা। বারবার নাম বলার জন্য সে জোর করতে থাকে তিলককে। কিন্তু সত্যিটা বলতে চেয়েও বলতে পারছে না তিলক। এরপর বিরক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যায় সকলে। কথাকে অনেকবার জোর করার পরও বাড়ি ফিরতে রাজি হয়নি কথা। আর সেই কারণেই সেখানে থাকতে বাধ্য হয় অগ্নি।

চিত্রাকে চিনে ফেলল কথা

তিলককে একটি পেন ও কাগজ দিয়ে দোষীর নামটা লিখে দিতে বলে কথা। কিন্তু সেটাও করার ক্ষমতা হারিয়েছে তিলক। তখনই ছদ্মবেশে তিলকের ঘরে চলে আসে চিত্রা। কথাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু অসাবধানতা বশত চিত্রার হাত থেকে পড়ে যায় সমস্ত জিনিসপত্র। তখনই চিত্রার হাতের আংটিতে খেয়াল করে কথা। সে বুঝতে পারে মেজ মায়ের হাতেও আছে এই আংটি। তারপরই গোপালের বাঁশির দেখতে শুরু করে কথা। এবার কি তবে ধরা পরবে চিত্রা? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।