ভয়ংকর বি’ষাক্ত সরীসৃপ যেভাবে শিকারের আশায় গর্তের মধ্যে লুকিয়ে বসে থাকে, ঠিক একই রকম ভাবে এতদিন নিজেকে গর্তের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিল মিশকা সেন। তবে এইবার গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। তাই এবার প্রকাশ্যে এলো স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa) ধারাবাহিকের জাঁদরেল খলনায়িকা মিশকা। মহা সংকটে পড়লো নায়িকা দীপা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সূর্য আর দীপা দুজনেই ডাক্তার হওয়ার জন্য ডাক্তারি কলেজে পড়াশোনা করছে। সেখানে ঋত্বিক নামক একটি ছেলে প্রথম থেকেই সূর্য আর দীপার সাথে শত্রুতা করে চলেছে। এদিন দেখা যায়, মিথ্যে বলে পুলিশ ডেকে এনে দীপার পরীক্ষা বাতিল করার চেষ্টা করে সে। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে প্রমাণ হয়ে যায় যে আসল অপরাধী ঋত্বিক। প্রথম অন্যায়টা সেই করেছিল। এখানে দীপার কোন দোষ ছিল না।
অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৩ আগষ্ট (Anurager Chowa Today Episode 13 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এটা শোনা মাত্রই প্রিন্সিপাল স্যার ঋত্বিকের বাবাকে ফোন করে বলে, তার ছেলেকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে পুলিশের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য পুলিশ বলে ঋত্বিককে তাদের সঙ্গে নিয়ে যাবে। সেই সময় দীপার পা ধরে কান্নাকাটি করে মুক্তি পায়ে ঋত্বিক। কিন্তু এই ঘটনায় দীপাকে নিজের আরও বড় শত্রু বানিয়ে নেয় সে। ঋত্বিক মনে মনে সংকল্প নেয়, যাই হয়ে যাক এই দীপান্বিতাকে সে কিছুতেই ভালোভাবে পড়াশোনা করে ডাক্তার হতে দেবে না।
ফের সূর্যের জীবনে ফিরে এলো মিশকা
অন্যদিকে পরীক্ষা শেষ হলেই দীপা আর সূর্যকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে লাবণ্য আর জয়। ওরা এমন একটা ক্যাফেতে যায় যেখানে এর আগে সূর্য দীপা দুজনে এসেছিল। হালকা হালকা স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকে সূর্যর। এমন সময় সেখানে চলে আসে মিশকা সেন। তাকে প্রথম দেখায় ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়ে সূর্যের চোখের আড়ালে নিয়ে আসে লাবণ্য আর দীপা। দুজনেই মনে করে এই মেয়েটা মিশকা। কিন্তু সেই মেয়েটি তাদেরকে বুঝিয়ে দেয় সে টিস্কা।
আরো পড়ুন: রাস্তার মাঝে হঠাৎ এক ভক্তের উপর ক্ষো’ভে ফেটে পড়লেন অরিজিৎ! আসল কারণটা কী?
এরপর লাবণ্য তার কাছে সূর্যকে সুস্থ করার জন্য সাহায্য চাইলে সে বলে, তার বোনের মতন একজন অপরাধীর পরিচয় সে থাকতে পারবে না। এরপর লাবণ্য আর দীপা সেখান থেকে চলে গেলে নিজের আসল রূপে চলে আসে মিশকা। অর্থাৎ এটাই তার পরিকল্পনা। এদিকে ডাক্তার সান্যাল এর জায়গায় যে নতুন ডাক্তার সূর্যকে দেখছে তাকে খুব একটা পছন্দ হয় না দীপার। দীপা বলে, ডাক্তার সান্যালের এমন হঠাৎ করে উবে যাওয়াটা তার একেবারেই ঠিক লাগছে না। ডাক্তার সান্যালের কোন একটা বিপদ হতে পারে। কিন্তু বরাবরের মতন এবারও দীপার কথাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না বাড়ির কেউই।





