লাবণ্যর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিল পৃথা! শেষ মুহূর্তে এসে আশীর্বাদের অনুষ্ঠান ভেস্তে দিল কাকীয়া!

অনেকদিন পর অনেক কষ্ট করে একটা ভালো সময়ের দিকে এগিয়ে চলেছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। সবার কাছ থেকে এতদিন ধরে অনেক অন্যায় অপবাদ সহ্য করে আজ একটা ভালোবাসার আশ্রয় খুঁজে পেয়েছে সে। সব মিলিয়ে খুব খুশি হয়েছে দর্শকমহল। টিআরপিতে নেমে গেলেও জনপ্রিয়তার দিক থেকে দিন দিন আরো উপরে উঠছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা বহুদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে একটা একটা করে টাকা জমিয়ে আজ কারোর কোন সাহায্য ছাড়াই নিজের পেয়ে দাঁড়িয়ে নিজের অর্জিত টাকায় বিয়ে করতে চলেছে। এটা অনেকেই মেনে নিতে চাইছে না তবে তাতে এখন দীপার আর কিছুই যায় আসে না। কারণ তার কষ্টে কেউ তাকে সঙ্গ দেয়নি তাই তার আনন্দে কে খুশি হলো আর কে হলো না এই সব কিছু দেখতে গেলে তার আর ভালো থাকা হবে না।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, একসাথে খুব সুন্দর মানিয়েছে দীপা আর অর্জুনকে, এরপর তাদের আশীর্বাদ অনুষ্ঠান শুরু হয়। সবাই এক এক করে তাদের দুজনকে আশীর্বাদ করা শুরু করে। এইসব আনন্দ অনুষ্ঠানের মাঝেও কোথাও গিয়ে দীপার অতীত তাকে বেশ ভয় ভীত করে তোলে যেটা বুঝতে পারে অর্জুন। সে মনে মনে বলে এরপর থেকে আর দীপার অতীত তাকে তাড়া করে বেড়াবে না, কারণ সে দীপার জীবনে অনেক আনন্দ ভরে দেবে।

লাবণ্য সেনগুপ্ত সব পারে

দীপার মা, অর্জুনের মা সবাই এক এক করে আশীর্বাদ করে। পৃথা এর মাঝেই বলে ওঠে, নিজের হারানো ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দটা যে কতটা সেটা আমি বুঝতে পারছি। এই কথাটা শুনে কষ্টে বুকটা ফেটে যায় লাবণ্যর। সে আর প্রবীর তাড়াতাড়ি ঘরে চলে আসে। এরপর লাবণ্য প্রবীরের কাছে পুরনো সব কিছু মনে করে কান্নাকাটি করতে থাকে। প্রবীর তখন লাবণ্যকে বোঝায়, যা হয়ে গিয়েছে সব ভুলে বর্তমানকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আর লাবণ্য সেনগুপ্ত চাইলে সবকিছু করতে পারে। লাবণ্য একটু শক্ত হয় আর নিজেকে সামলে নেয় এরপর নিজের গয়নার বাক্স নিয়ে দীপাকে আশীর্বাদ করে।

আরো পড়ুন: চলতি ধারাবাহিক ছে’ড়েও জি বাংলার আসন্ন ধারাবাহিক থেকে বা’দ পড়লেন প্রধান অভিনেত্রী! হঠাৎ কেন এমন হল!

বাধার সৃষ্টি করলো অনুজা

এরপর আশীর্বাদ করার পালা কাকাই আর কাকীয়ার। প্রতীক চাইলেও অনুজার কোনো ইচ্ছে ছিল না দীপা আর অর্জুনকে আশীর্বাদ করার। কিছুটা বাধ্য হয়েই সে এগিয়ে আসে। সে যখন দেখে, প্রতীক দুটোর সোনার চেইন তাদেরকে দিচ্ছে তখন অনুজা সবার মাঝখানে চিৎকার করা শুরু করে। সে বলে নিজের সর্বস্ব বাইরের লোকেদের জন্য সে দিয়ে দিতে পারবে না। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। এরপর কাকীয়াকে শান্ত করে ছোট্ট সোনা রুপা।