একটা সময় ছিল যখন প্রথমবার জি বাংলার (Zee Bangla) বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথার (Kar kache koi moner kotha) নায়িকা শিমুল তার শশুর বাড়িতে পা রেখেছিল। সেখান থেকে শুরু হয় এই ধারাবাহিকের যাত্রা। কিন্তু এই যাত্রাপথ প্রথম দিকে একেবারেই মসৃণ ছিল না। অনেক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর একটু সুখের মুখ দেখেছে শিমুল। তার পাশাপাশি এই মুহূর্তে অনেকটা শান্তিতে জীবন কাটাচ্ছে ধারাবাহিকের আরো তিন নায়িকাও।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছে কিন্তু সেই কথাটা সেই বাড়ির কাউকে এই মুহূর্তে বলতে চাইছে না। কারণ বর্তমানে সে যে অবস্থায় রয়েছে তাতে তার সুবিধাই হচ্ছে। সে এমন অনেক কিছু জানতে পারছে যা হয়তো সুস্থ থাকলে জানা সম্ভব হতো না। যদিও বিষয়টা অনেকটাই আন্দাজ করতে পেরেছে পলাশ আর প্রতীক্ষা। তাই তারা জোর করে পরাগকে আবারো অসুস্থ করে তোলার জন্য বিষ মেশানো খাবার খাওয়াতে উদ্যত হয়েছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনেক চেষ্টা করেও এই যাত্রায় পরাগের কোনো ক্ষতি করতে পারে না পলাশ আর প্রতীক্ষা। কারণ প্রতীক্ষার আনা শরবত পরাগ ছুঁড়ে ফেলে দেয়। তারপরেও পলাশ বারবার সন্দেশ, চাওমিন ইত্যাদির লোভ দেখাতে থাকে পরাগকে। কিন্তু পরাগ বুঝতে পারে এর পেছনে কোন অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। আবার তারা শিমুলকে ফাঁসানোর চেষ্টা করবে। তাই এইবার খুব সতর্ক হয়ে যায় সে।
নতুন সম্পর্কে জড়ালো সুচরিতা
এদিকে শিমুল সুচরিতা শীর্ষা বিপাশা চারজন বন্ধু মিলে একসঙ্গে বসে অনেকদিন পর নিজেদের মনের কথা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে থাকে। সেই সময় সুচরিতা বলে, তার বেশ কিছু কথা বলার আছে। তারপর সে বলে, একটা নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছে সে। অনেক ভেবে দেখল এই শ্বশুরবাড়িতে সে বেশিদিন থাকতে পারবে না। তাকে একদিন না একদিন কোথাও একটা স্থিত হতেই হবে। তাই জীবনে একজন মানুষকে বেছে নিয়েছে সুচরিতা আর এটা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় প্রত্যেকে। অন্যদিকে বিপাশাও চাকরির জন্য খুব চেষ্টা করছে আর মনে হচ্ছে এই বারটা সে ঠিক পেয়ে যাবে চাকরি। সব মিলিয়ে চারজনের জীবন আগের তুলনায় অনেক বদলে গিয়েছে আর সবাই অনেক সুখে আছে।
আরো পড়ুন: অর্জুনকে বিদায় জানালো দীপা! শেষ হলো অর্জুনের ট্র্যাক, দীপার জীবনে ফের প্রবেশ করলো সূর্য!
শিমুলকে নিয়ে ভয় পাচ্ছে পরাগ
এরপর স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শিমুল পরাগকে বলে, “এভাবে বসে থাকলে শরীর কিন্তু আরো খারাপ করবে। তোমায় হাঁটাচলা করতে হবে নিয়মিত আর তার পাশাপাশি বই পড়তে হবে।” পরাগ বলে, এবার থেকে শিমুল যেন তার নিজের খাবার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বানায়। কারোর বানানো খাবার যেন সে না খায়। শিমুল বুঝতে পারে পরাগ তাকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তা করছে। এরপর কেসটা তুলে নেওয়ার বিষয়ে শিমুলকে জিজ্ঞাসা করলে শিমুল জানায়, সে পুলিশের কাছে গিয়েছিল কিন্তু ইতিমধ্যেই চার্জশিট পেশ করা হয়ে গিয়েছে তাই এখন আর কোনোভাবেই কেসটা তুলে নেওয়া যাবে না।





