একজন মাই বোঝে আর এক মায়ের কষ্ট। কিন্তু এক্ষেত্রে পৃথার কোন কষ্টই উপলব্ধি করতে পারছে না স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা(Dipa)। একটু একটু করে এসে বুঝতে পারছে পৃথা(Pritha) যা করছে সবটাই নাটক। এই মুহূর্তে বেশ দোটানার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে নায়ক নায়িকার জীবন। এর মধ্যেই আবার ফিরে এসেছে তাদের সবথেকে বড় এবং ভয়ংকর শত্রু মিশকা(Mishka)।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এই মুহূর্তে পৃথা বারবার চেষ্টা করে চলেছে। অর্জুনের কাছাকাছি পৌঁছানোর। যে সময়টা ভিক্টর হাসপাতালে রয়েছে সেই সময়টাকেই বারবার কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে সে। অর্জুনের দৃষ্টি নিজের দিকে ঘোরাতে চাইছে পৃথা। কিন্তু অর্জুন তাকে মা বলে মেনে নিতে নারাজ। কারণ ছোটবেলায় তার সাথে কি কি হয়েছে মা না থাকার জন্য সেটা সে কখনো ভুলতে পারবে না। আবার অন্যদিকে মাকে সামনে দেখতে পেয়েও তার কাছে না যেতে পারার একটা কষ্ট রয়েছে তার মধ্যে যেটা দীপার চোখে ধরা পড়েছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পৃথা বাড়ির কাজের লোককে থালায় করে ক্ষীরকদম সাজিয়ে আনতে দেখে দীপা বলে, নিজের দুই ছেলের এমন অবস্থায় খাবার কি করে গলা দিয়ে নামছে ওনার? পৃথা প্রচন্ড চালাক। সে সঙ্গে সঙ্গে প্রসঙ্গ পাল্টে দেয় আর বলে এই খাবারটা রাধা মাধবের। এরপর দীপার কাছে পৃথা অনুরোধ করে সে যেন অন্তত একবার অর্জুনকে বোঝায়। পৃথা বলে, দীপা যেন তোর ছেলেটাকে দেখে রাখে। দীপা তাকে জানায়, তার একটা কথাতেও বিশ্বাস করতে পারছে না সে। পৃথা বলে, সেটাই স্বাভাবিক আর এর সমস্ত দায় তার নিজের। দীপা সেখান থেকে চলে গেলে পৃথা বলে, “অর্জুনের কাছে তুমি আমাকে নিয়ে যাবে।”
সেখান থেকে বেরিয়ে আনমনা হয়ে হাঁটতে থাকে দীপা। তখনই তাকে দেখে ফেলে মিশকা। সে মনে মনে বলে, দীপা সোনা রুপা এদের সবার ক্ষতি করতে না পারলে সে শান্তিতে মরতে পারবে না। বাড়ি ফিরে এসে দীপা দেখে ভাতের ফ্যান গালতে গিয়ে হাতে ফ্যান পড়ে অনেকখানি পুড়ে গিয়েছে অর্জুনের হাত। দীপা তাড়াতাড়ি হাতে ঠান্ডা জল দিয়ে হাতটাকে ভালো করে ধুয়ে তাতে ওষুধ লাগিয়ে দেয়। দীপার এই ব্যবহারটা ভীষণ পছন্দ হয়ে অর্জুনের। কিন্তু সে ভীষণ ভয় ভয় পেয়ে যায়। কারণ সে জানে দীপা সব সময় এভাবে থেকে যাবে না। দীপা অর্জুনকে এই নিয়ে কিছু বলতে গেলে অর্জুন বলে, এই ভয়টা তার একার আর এই ভালোবাসাটাও তার একার তাই এই নিয়ে দীপাকে কিছু বলতে হবে না। এরপর সেখানে আসে খোকা। শেষের দীপাকে জিজ্ঞাসা করে, হঠাৎ পৃথার বাড়িতে কেন গিয়েছিল সে?
আরও পড়ুন: নতুন মেগার ডাকে রামপ্রসাদ ছাড়লেন প্রধান নায়ক! মন খারাপের সুর দর্শক মহলে
দীপা বলে, তার কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা ছিল। শুধুমাত্র সেই জন্যই দীপা গিয়েছিল। অর্জুন এত কষ্ট পাচ্ছে সেটা দীপা সহ্য করতে পারছে না। খোকা বলে, ওই মহিলাকে সে কোনভাবেই অর্জুনের আশেপাশে সহ্য করতে পারে না। খোকা দীপাকে জিজ্ঞেস করে, বিয়ের পরেও কেনো তারা আলাদা থাকে? কেনো এখনো অর্জুন এত কষ্ট পাচ্ছে? তবে কি এই বিয়েটা মিথ্যে? দীপা কি চলে যাবে? দীপা তখন খোকাকে বলে, “অর্জুন দা যত দিন না পর্যন্ত সুখী হচ্ছে আমি কোথাও যাবো না। আমি আর আমার মেয়েটা থাকতে অর্জুন দাকে খারাপ থাকতে দেবো না। আর ওকে যদি কেউ ঠকাতে চায় তাহলে দীপা তাকে ছাড়বে না।” কথাগুলো শুনে ভীষণ শান্তি পায় খোকা। অন্যদিকে ভিক্টরের সাথে দেখা করতে যায় পৃথা। ভিক্টর তখন পৃথাকে বলে এর পর যদি তার মা তাকে ঠকাতে চায় তাহলে সে অর্জুনকে ফোন করে সব সত্যি বলে দেবে। এটা শুনে ভয় পেয়ে যায় পৃথা।
View this post on Instagram





