Anurager Chowa Today Episode: স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager Chowa) এই মুহূর্তে এই চ্যানেলের সবথেকে পুরনো একটি মেগা। এই ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা অর্থাৎ সূর্য আর দীপার জুটি ছিল ধারাবাহিকের মূল ইউএসপি। কিন্তু বর্তমানে নায়কের পরিবর্তন ঘটেছে। সূর্য বহুদিন যাবত এই ধারাবাহিকে অনুপস্থিত। আর নায়িকা দীপার ভালো থাকার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে অর্জুন।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সবটা নিজের মতন করে সাজিয়ে নিয়েছিল দীপা আর অর্জুন। জয়ের অযৌক্তিক কথা বার্তা সত্ত্বেও তারা একে অপরের হাত ধরে। কিন্তু মাঝে পথে ফের ঝামেলার সৃষ্টি করে পৃথা। সে যখন দেখলো দীপা আর অর্জুনকে কিছুতেই আলাদা করা যাচ্ছে না তখন সে একটা অন্য উপায় বের করলো। এইবার দীপার বিরুদ্ধে লাবণ্যকে লেলিয়ে দিল পৃথা। সোনা রুপাকে নিয়ে শুরু হলো টানাটানি।
অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৬ এপ্রিল (Anurager Chowa Today Episode 16 April)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অর্জুন সোনা আর রুপাকে নিজের পরিচয় পরিচিত করতে চায়। কিন্তু লাবণ্য চায় সোনা-রুপার সেনগুপ্ত পরিচয়টা সবসময় সাথে থাকুক। এই নিয়েই তাদের মধ্যে একটা বিবাদের সৃষ্টি হয়। বিষয়টা ভুল দিকে গড়াচ্ছে বুঝতে পেরে লাবণ্যকে চুপ করতে বলে প্রবীর। এর পর সবাইকে নিয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে ফিরে যায় সে। বাড়ি ফিরে প্রবীর বলে, “আজ যেটা হলো সেটা মোটেই ঠিক হলো না।” লাবণ্য বলে, অনেক ছোট থেকে সোনাকে মানুষ করেছে সে। অনেক কষ্ট কোরে রুপাকে সে খুঁজে বের করেছে। তাই সে কখনোই তার নাতনীদের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেবে না।
এদিকে বাড়ি ফিরতেই পৃথা চেষ্টা করে অর্জুন দীপার মাঝে ঢুকে পড়ে আবার নিজের জায়গাটা পরিষ্কার রাখার। কিন্তু দীপা আর নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারে না। সে সব সত্যিটা সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আর তারপর অর্জুন আর দীপা মিলে পৃথার করা কাজের কৈফিয়ত চায়। দীপা বলে, “আপনি যদি আমায় মহান প্রমাণ করতে চাইতেন তাহলে কখনোই আপনি লিভিইন এর বিষয়টা তুলে আমায় নোংরা ইঙ্গিত করতে পারতেন না।” আর কোনো উপায় না পেয়ে দীপার পায়ে পড়ে পৃথা। কিন্তু দীপা আর অর্জুন তার নাটকে পাত্তা দেয় না। তার এত বিশেষ একটা দিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বেশ কষ্ট পায় অর্জুন। কিন্তু দীপা সেই কষ্ট ঘুচিয়ে দেয়।
আরো পড়ুন: তিনি ‘বর চো’র’ নন! ভাঙেননি কারোর সংসার! অবশেষে মুখ খুললেন দীপঙ্কর পত্নী দোলন রায়
এরপর দীপা রূপাকেও বোঝায়, যা হচ্ছে সব ঠিক হয়ে যাবে। রুপা যেনো একদম ভয় না পায়। পরের দিন সকাল হতেই নিজেদের ইনস্টিটিউটে চলে যায় দীপা আর অর্জুন। তারা গিয়ে দেখে, পৃথা সবাইকে জানিয়েছে সে অর্জুনের মা এবং দীপার সাথে তার ছেলের আশীর্বাদ হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি পৃথা গোটা প্রতিষ্ঠানটাই নিজের দখলে করে নিতে চায়। কিন্তু দীপা খুব বুদ্ধি করে বলে, “আমরা আমাদের সুবিধার জন্য কখনোই একজন বয়স্ক মানুষের উপর সমস্ত দায় দায়িত্ব চাপিয়ে দিতে পারি না। তাই পৃথা ম্যাম এর এখানে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। উনি ঘরে বিশ্রাম করুন।” এই বলে পৃথাকে ঘরের বাইরে নিয়ে যায় দীপা। সে স্পষ্ট জানায়, আর কোনো ভাবেই সে ভুল বোঝাতে পারব না দীপাকে।





