প্রিয়াঙ্কার ব্যাবহারে অতিষ্ঠ পরাগ, তবে কি আইনী ছাড়াছাড়ি হতেই শিমুলের গুরুত্ব বুঝবে সে?

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে এই মুহূর্তে যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে বিশেষ ভাবে দর্শকদের নজর কেড়েছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kacche koi moner kotha)। সংকটে পড়লে মেয়েদের ঠিক কি কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তারই পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বহুদিন ধরেই শিমুল চাইছিল পরাগের নামটা নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলতে আর অন্যদিকে পরাগও চাইছিল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডিভোর্স দিয়ে প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসতে। এইবার দুজনের মনস্কামনাই পূরণ হলো। শিমুল নিঃসন্দেহে একটা খারাপ জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করেছে কিন্তু পরাগ কি আদেও নিজের উদ্দেশ্য সাধন করে খুশি থাকতে পারবে?

পরাগ অনেক দিন ধরেই আলাদা হতে চেয়েছিল কিন্তু শিমুলকে ডিভোর্স দেওয়ার তাগিদটা সে প্রিয়ার সাথে মেশার পর বেশি করে অনুভব করে। কিন্তু প্রিয়া কি অদেও সুখ এনে দিতে পারবে পরাগকে? এই দিনের পর্বে দেখা যায় ডিভোর্স পেয়ে ভীষণ খুশি পরাগ, পলাশ। তারা সেলিব্রেট করতে একটা রেস্টুরেন্টে সবাই মিলে খেতে যায়। কাকতালীয়ভাবে শিমুল রাও সেখানেই খেতে যায় ফলে দেখা হয়ে যায় দুই পক্ষের।

শুরু থেকেই প্রিয়াঙ্কার সন্দেহবাতিক মনোভাব নজর এড়াইনি কারোরই। তবে ধীরে ধীরে তা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরো প্রকট হয়ে উঠছে। আজকে ডিভোর্সের পর প্রিয়াঙ্কা পরাগকে প্রতিনিয়ত কথার দ্বারা বিদ্ধ করতে থাকে। সে বারবার এটাই বলতে থাকে যে যেটা হলো সেটাতে নাকি পরাগ ভীষণ কষ্ট পেয়েছে। শিমুলকে নিয়ে প্রিয়াঙ্কা যে বেশ ভালো রকমের ঈর্ষান্বিত সেটা বারবার প্রমাণ করে দিয়েছে সে। তবে এইবার প্রিয়ার ব্যবহারে বেশ রেগে গিয়েছিল পরাগ।

আরও পড়ুনঃ অতীতের অমীমাংসিত রহস্যর সমাধান করে পুনরায় নিজের ভালোবাসাকে পূর্ণতা দিতে আসছে ষ্টার জলসায় ‘চিনি’

উল্লেখ্য বিপাশা যেচে পরাগের কাছে এসে তাকে জিজ্ঞাসা করে, “যখন শেষমেষ এত খুশি হয়েছো তাহলে কোর্টরুমে কান্নাকাটির কি দরকার ছিল?” কথাটা শুনে মুখ শুকিয়ে যায় প্রিয়াঙ্কার। প্রিয়ার এই মানসিকতা যে দ্রুত পরাগের জীবনে সর্বনাশ ডেকে আনবে তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।