পর্ণা নয়, দুর্দান্ত দাবাং স্টাইলেই নিম ফুলের মধুর দিন ফেরাবে পুঁটি

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরুর থেকেই দর্শকদের মাঝে চর্চায় উঠে এসেছে তার মধ্যে অন্যতম নিম ফুলের মধু (Neem Phooler Madhu)। শুরুর থেকেই কলকাতার একান্নবর্তী পুরনো চিন্তাধারা সম্পন্ন পরিবারের গল্প ভীষণ পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। পর্ণার দত্ত বাড়িতে বিয়ে করে আসা, তারপরই ধীরে ধীরে দত্ত বাড়ির সকলের মন জয় করে নেওয়া আর সর্বোপরি পর্ণার তার কাটা বুদ্ধি, সবটাই মন জয় করেছিল দর্শকদের।

তবে ধারাবাহিকের গল্প একেবারেই বদলে যায় পর্ণার মেয়ে পুঁটি আসার পর থেকে। মা হওয়ার পর কাজ ছেড়ে দিলেও মেয়ে, স্বামী আর দত্ত বাড়ির সকলকে নিয়ে কয়েকবছর বেশ সুখেই দিন কাটিয়েছিল পর্ণা। কিন্তু সেই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পর্ণা জীবনে ফিরে আসে তার চরম শত্রু ঈশা। আর শুধু তাই নয়, এবার সে মন্ত্রী সুকুমার হালদারের স্ত্রী। আর তার সঙ্গেই পর্ণা জীবনে আসে নতুন শত্রু সুইটিও।

বুদ্ধিতে পর্ণাকেও মাত দিচ্ছে ছোট্ট পুঁটি

যদিও সুইটি হোক বা ঈশা, দুজনেই বর্তমানে নাস্তানাবুদ করে ছাড়তে পর্ণার মেয়ে পুঁটি। ধারাবাহিকে পুঁটির চরিত্রে অভিনয় করেছেন খুদে অভিনেত্রী মাহি সিং। চরিত্রটি যতটা মিষ্টি ততই বিচক্ষণ। ওই টুকু মেয়ে হলেও মাকে সবসময় নানানভাবে সাহায্য করেছে ছোট্ট পুঁটি। এমনকি মা স্মৃতি হারিয়েছে দেখেও একেবারেই ভেঙে পড়েনি সে বরং মাকে সুস্থ করার জন্য বাবাকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করেছে পুঁটি। রেখেছে মনের জোর। এই বয়সে পুঁটির মধ্যে এতটা বিচক্ষণ তাজব হয়েছিলেন দর্শকদেরও।

আরও পড়ুনঃ আম্বানি পুত্রের বিয়েতে এলাহী আয়োজন! মেনুতে থাকছে নানা প্রদেশের ২৫০০ পদ! নাম শুনলে ভিরমি খাবেন আপনিও!

তবে শুধু এক্ষেত্রেই নয়, সুইটিকেও একেবারেই নাজেহাল করে ছেড়েছিল পুঁটি। এমনকি ঈশার গুন্ডারা যখন পুঁটিকে কি*ডন্যাপ করেছিল তখনও কিন্তু একেবারেই ভয় পায়নি পুঁটি। বরং গুন্ডাদের পরিস্থিতিই খারাপ করে ছেড়ে ছিল পর্ণা এই একরত্তি মেয়েটা। এমনকি ধারাবাহিকেও বরাবর দেখা গেছে পড়াশোনাতেও অসাধারণ পুঁটি। শুধু তাই নয়, নিজের দাদাকেও খুবই ভালোবাসে সে। তবে এবার পুঁটির কান্ড দেখে চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের।

পুলিশকে বোকা বানিয়ে প্রমাণ জোগাড় করে আনল পুঁটি

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে আহিরের গাড়িতে অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে বুবাই আর অভিজিতের। ঘটনাস্থলেই মারা হয়েছে অভিজিৎ আর এদিকে কোমায় চলে গেছে বুবাই। তবে আকাশ দেবের ছেলে হওয়ার কারণে আহিরকে ক্রমাগত বাঁচানোর চেষ্টা করে চলেছে পুলিশ, মন্ত্রী সুকুমার হালদার আর ঈশা। পর্ণাদের থানায় ঢোকাও বন্ধ করে দিয়েছে তারা। তবে হাল ছাড়েনি পুঁটি। কাগজ কুড়ানি সেজে থানার ভিতরের ডাস্টবিন থেকে কাগজগুলো কুড়িয়ে নিয়ে এসেছে পুঁটি। যদিও তারপরই পর্ণাকে ধরতে দত্ত বাড়িতে চলে আসে পুলিশ। কিন্তু লক্ষ্মী ঠাকুর সেজে থাকার কারণে পুঁটিকে খুঁজে না পেয়েই থানায় ফিরে যান অফিসার। পর্বে পুঁটির বিচক্ষণতা আর উপস্থিত বুদ্ধি এবং সাহস দেখে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।