নায়কের নামে কলঙ্ক অনির্বাণ! প্রকৃত পুরুষ তো ঋক! চর্চার তুঙ্গে জি বাংলার দুই নায়ক!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় দুই জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi) এবং মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিক দুইটির গল্প দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল দর্শকদের। টিআরপি তালিকায় দুর্দান্ত ফলাফল করতে না পারলেও মেয়েদের জীবনের কঠিন লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরেছে এই দুইটি ধারাবাহিকই। একদিকে সিঙ্গেল মাদার মধুবনীর সমাজ এবং পরিস্থিতির বিরুদ্ধে গিয়ে ছোট্ট মিহিকে বড় করে তোলার লড়াই, অন্যদিকে নিজের সবটুকু বিলিয়ে দিয়ে সংসারের জন্য রাইয়ের আত্মবলিদানের গল্প।

বলাই বাহুল্য মেয়েদের জীবন যুদ্ধ নিয়ে তৈরি এই ধারাবাহিক দুইটি ইতিমধ্যেই মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। তবে নায়িকাদের পাশপাশি ধারাবাহিকের নায়কদের চরিত্রগুলো বিশেষভাবে নজর কেড়েছে সকলের। একদিকে কে প্রথম কাছে এসেছি ধারাবাহিকে ঋগদেব অন্যদিকে মিঠিঝোরা ধারাবাহিকের অনির্বাণ। এই দুটি চরিত্রেই দাগ কেটেছে দর্শকদের। যদিও নায়ক নায়িকার পরিচয় দুই ধারাবাহিকেই একইভাবে। দাদুর অফিসে জয়েন করার পরই মধুবনীর সঙ্গে আলাপ হয় ঋকের। অন্যদিকে অনির্বাণের অফিসে জয়েন করে রাই।

Anirban had an accident

রাইকে কেবল অবহেলা আর অবজ্ঞা করেছে অনির্বাণ

তবে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার প্রথম সাক্ষাৎ একইভাবে হলেও নায়কের চরিত্রের মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। একদিকে রাইয়ের ভালোবেসে বিয়ে করেছে অনির্বাণ। তবে এত লড়াই করে ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করলেও ভালোবাসার মানুষের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনি সে। শুধুমাত্র কয়েকটা ছবির ওপর ভরসা করেই ফুলসজ্জার রাতে রাইকে একা ফেলে চলে যায় অনির্বাণ। এমনকি মায়ের কথায় ডিভোর্স পেপারে সই করতেও দুবার ভাবেনি সে।

Bengali serial, Bengali television, Ke prothom kache esechi, Mithijhora, Sayan Bose, Suman Dey, Zee Bangla, কে প্রথম কাছে এসেছি, জি বাংলা, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা ধারাবাহিক, মিঠিঝোরা, সায়ন বসু, ‌ সুমন দে

পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে মধুবনীর পাশে দাঁড়িয়েছে ঋক

অন্যদিকে কে প্রথম কাছে এসেছি ধারাবাহিকের ঋগদেব। শুধু মধুবনীকে নয়, ছোট্ট মিহিকেও বাবার মতোই ভালোবেসেছে ঋক। মধুবনীর অতীতের সম্পর্কে একটা কথাও না জেনেই মধুবনীর ওপর বিশ্বাস রেখে মধুবনীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে সে। এমনকি আদরের ঠাম্মিও যখন বিয়ের মণ্ডপে ঋককে বলল বিয়ে ভেঙে চলে আসতে তখনই কিন্তু মধুবনীর হাত ছেড়ে চলে যায়নি সে। বরং পরিস্থিতির সমস্ত গুরুত্ব বুঝে সমস্ত দোষ নিজের কাঁধে নিয়েই মধুবনীর সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দিয়েছে ঋক। এমনকি পরিবারের সকলের কারণে মধুবনীর সঙ্গে বাড়ি ছাড়তেই দ্বিধা বোধ করছে না সে।

ঋক না অনির্বাণ? কে প্রকৃত নায়ক?

জি বাংলার এই দুই ধারাবাহিকের নায়কদের চরিত্রের মধ্যেকার এই বিস্তর ফারাক দেখে অবাক হয়েছেন দর্শকরা। দুইজনেই ভালোবাসেন নায়িকাকে। তবে একজনের ভালোবাসার শিকড় বিশ্বাস কিন্তু অন্যজন? অনির্বাণ তো সর্বদাই অবিশ্বাস করে এসেছে রাইকে। এমনকি শৌর্য্য নিজে গিয়ে যখন সবটা জানাল তখনই সে রাইকে বিশ্বাস করেনি বরং নিজের মায়ের কথা শুনে সে এও ভেবেছে এইসবকিছুর পিছনে রাইয়ের হাত রয়েছে। আচ্ছা এও কি নায়ক? এদিকে ঋক আরেকদিকে অনির্বাণ! আপনাদের কি মনে হয় অনির্বাণ কি নায়ক হওয়ার যোগ্য?